শিরোনাম
◈ মিয়ানমারের বিবৃতি কি রোহিঙ্গা সংকট আরও জটিল করে তুলল? ◈ সাশ্রয়ী দামে স্মার্টফোন দিতে সরকারের নতুন পরিকল্পনা ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের বৈঠক ◈ নবম পে স্কেলের গেজেট কবে, যা জানা গেল ◈ ভারত স্বার্থ-শর্ত ছাড়া আমন্ত্রণ জানালে স্বাগত জানাবে বাংলাদেশ: রিজভী ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অভ্যস্ত নয় ইসি, তবে প্রক্রিয়ায় কোনো গ্যাপ থাকবে না: সিইসি ◈ ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনে জাতীয় কর্মসূচি ঘোষণা ◈ কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক ◈ স্বামীর মৃত্যু: দীপু মনির প্যারোলে মুক্তির সময় নির্ধারণ ◈ আরও দুই নতুন মুখ যুক্ত হচ্ছেন মন্ত্রিসভায় 

প্রকাশিত : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:৫৫ বিকাল
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০১ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাবা ও প্রেমিকের সহায়তায় প.র্নো.গ্রা.ফি তৈরি করা ইনফ্লুয়েন্সার সুমাইয়া গ্রেপ্তার

অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট তৈরি, প্রচার এবং তা বাণিজ্যিকভাবে বিক্রির অভিযোগে সুমাইয়া সাঈদ (২৫) নামের এক ইনস্টাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সার ও তার সহযোগী খাজা সাকলাইন ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। একই সঙ্গে অনৈতিক এই কাজে সায় দেওয়া এবং অর্থ গ্রহণের অভিযোগে সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদকেও সংশ্লিষ্ট মামলায় আসামি করা হয়েছে।

ডিবি পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ) বিভাগের একটি দল সম্প্রতি রাজধানীর বসুন্ধরা ও বাড্ডা এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করে।

গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, গত ১০ আগস্ট নিয়মিত সাইবার নজরদারির সময় সুমাইয়ার ইনস্টাগ্রাম ও টেলিগ্রাম চ্যানেলে আপত্তিকর কনটেন্ট ও তা বিক্রির প্রচারণা নজরে আসে। তদন্তে দেখা যায়, বিকাশ ও নগদের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ করে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও সরবরাহ করত এই চক্র। এমনকি নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকার বিনিময়ে ‘লাইফটাইম প্যাকেজ’ সুবিধাও দেওয়া হতো, যার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩ হাজার ৫০০ টাকা।

ডিজিটাল নজরদারির মাধ্যমে অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর গত ১১ আগস্ট রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে প্রথমে সুমাইয়াকে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে একটি আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স ও একটি ওয়ানপ্লাস মোবাইল ফোন জব্দ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড্ডার ‘ঢাকা পপুলার ট্রাভেলস’ এলাকায় অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় সুমাইয়ার প্রধান সহযোগী ও প্রেমিক খাজা সাকলাইন ফারুককে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রাপ্ত তথ্যের বরাতে গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, সুমাইয়া ও তার কয়েকজন সহযোগী মিলে সংঘবদ্ধভাবে এই কর্মকাণ্ড চালাতেন। সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্য হলো, সুমাইয়ার বাবা মো. আবু সাঈদ মেয়ের এসব কার্যকলাপ সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত ছিলেন। তিনি মেয়েকে বাধা দেওয়ার পরিবর্তে এই অনৈতিক আয়ের ভাগ নিতেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

এ ঘটনায় রাজধানীর রমনা মডেল থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর আওতায় একটি মামলা করা হয়েছে। ঘটনার গভীর তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট চক্রের অন্যান্য পলাতক সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের আদালতে হাজির করে তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়