প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মাদারীপুরের রাজৈরে হত্যা চেষ্টা মামলায় চেয়ারম্যানসহ গ্রেপ্তার-২১

আকাশ আহম্মেদ সোহেল: [২] উপজেলার আমগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহিদুর রহমান টিপুসহ ২১ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত (২৯ জুন) মঙ্গলবার স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বিচরন সরকার (৩৫) এর বড় ভাই বিজয় সরকারের করা হত্যা চেষ্টা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার (৩০ জুন) সকাল ৮ টার দিকে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

[৩] স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আমগ্রাম ইউনিয়নের সেনখালী গ্রামে বঙ্গবন্ধু আশ্রয়ন পল্লী নির্মাণের প্রস্তুতি নেন উপজেলা প্রশাসন। এতে সরকারি সম্পত্তি দখলকারীরা ফুসে উঠেন। পরে খাল ভরাট করে আশ্রয়ন পল্লী করা হচ্ছে বলে অভিযোগ এনে প্রকল্পের কজে বাধা দেন। তবে খালটি দীর্ঘদিন যাবত সচল না থাকা সত্ত্বেও হাজার হাজার একর ফসলী জমিতে চাষাবাদ ব্যহত হওয়ার অভিযোগ আনেন তারা। এমনকি আশ্রয়ন প্রকল্পের কাজ বন্ধ করার জন্য আমগ্রাম ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক বিচরন সরকার বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত দেন। এরই জের ধরে গত (২৫ জুন) শুক্রবার বিকালে আমগ্রাম বাজারে বিচরণ ও স্থানীয় চেয়ারম্যান টিপুর লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে চেয়ারম্যানের লোকজন বিচরনকে মারধর করে। এ খবর পেয়ে সেনগ্রামের লোকজন ইউনিয়ন পরিষদে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে এবং চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করে রাখে।

[৪] পুলিশ জানায়, সংঘর্ষের ঘটনা শুনে পুলিশ আসলে তাদের উপরেও হামলা চালায় এবং রাজৈর থানার ওসিসহ ৭ পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে পুলিশ ৬৬ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছেড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে চেয়ারম্যানকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় শনিবার (২৬ জুন) ইউনিয়ন পরিষদ ভাংচুর ও পুলিশের উপর হামলা বিষয় উল্লেখ করে রাজৈর থানার এসআই মীর নাজমুল হাসান বাদি হয়ে একটি মামলা করা হয়। ওই মামলাটিতে এক হাজার জনকে আসামী করা হয়েছে। এরপর বিচরণকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ এনে তার বড় ভাই বিজয় একটি মামলা করেন। বিজয়ের করা মামলায় অভিযুক্ত চেয়ারম্যানসহ ২১ জন বুধবার (৩০) জুন সকালে রাজৈর থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেন। এছাড়া ওই চেয়ারম্যানও থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

[৫] মামলার তদন্তকারী এসআই মীর নাজমুল হাসান জানান, বিচরন সরকারকে মারধর ও হত্যার হুমকির অভিযোগে তার ভাই বিজয় সরকার রাজৈর থানায় মামরা করে। সেই মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান টিপুকে প্রধান আসামীসহ ৩২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। আজ বুধবার সকালে অভিযুক্ত চেয়ারম্যানসহ ২১ জন থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেছেন। তাদের সকালেই মাদারীপুর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

[৬] রাজৈর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন হাওলাদার জানান, পুলিশের মামলা ও চেয়ারম্যানের অভিযোগ তদন্তাধীন অবস্থায় রয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত