প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] শেরপুর পৌর নির্বাচনে নৌকা ও ধানের শীষেই হবে শেষ লড়াই

তপু সরকার: [২] শেরপুর পৌর সভা নির্বাচনের অপেক্ষায় প্রার্থী ও সাধারণ মানুষ। রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারী) শেরপুর পৌর নির্বাচনে ইভিএমে ভোটগ্রহণ। ৭ মেয়র প্রার্থীই ১০০% অবাধ সুষ্ঠ ও নিরাপদ নির্বাচন আশা প্রকাশ করেছেন। জেলাপ্রশাসন, জেলা আইনশৃংখলা বাহিনী ও জেলা নির্বাচন কমিশন, দুটি পৌরসভায় অবাধ সুষ্ঠ ও একটি স্বচ্ছ নির্বাচন উপহার দিবেন বলে জানান। শেরপুর পৌর নির্বাচনটি একটি অভিন্ন রুপে হবে বলে মনে করছেন পৌরবাসী।

[৩] উপজেলা নির্বাচন ১৪০টি কেন্দ্রে ইভিএমে ভোটগ্রহণ হলেও পৌর সভার ২৭টি কেন্দ্রে বিএনপি’র ধানের শীষ পেয়েছিলো ১১হাজার ৯’শ ৫৭ ভোট । নৌকা ১২ হাজার ৪৮ ভোট পায়।

[৪] ২০১৫ সালে শেরপুর পৌর নির্বাচনে ৩৪টি কেন্দ্রের নির্বাচনে মোট ৬৪ হাজার ২’শ ৯১ ভোটের মধ্য ২৩ হাজার ৪’শ ৭ ভোট পেয়ে নৌকা বিজয়ী হোন এবং তার নিকটতম প্রতিদন্ডি বিএনপি’র ধানের শীষ প্রার্থী মরহুম আব্দুর রাজ্জাক আশিষ ২৩ হাজার ১’শ ৪০ ভোট পান। ২৬৭ ভোটে পরাজিত হোন বিএনপি। ভোট কাষ্টিং হয়েছিল শতকরা৭৩.৯৯৮৮%।

[৫] এবারও নৌকার প্রাথী জননন্দিত বর্তমান মেয়র আলহাজ্ব গোলাম কিবরিয়া লিটনকে এবারও জননেত্রী শেখ হাছিনার মনোনিত করে তাকেই দিয়েছেন নৌকা।

[৬] শেরপুরের রাজনৈতিক মহল মনে করেন বর্তমান মেয়র গোলাম কিবরিয়া লিটন অতন্ত অভিজ্ঞ সৎ এবং উন্নয়নে বিশ্বাসী। গত ৫ বছরে মেয়র গোলাম কিবরিয়া লিটন দেখার মতো উন্নয়ন করেছেন। গত ১৫ সালে একটি ঋণগ্রস্থ পৌর সভার দায়িত্ব নিয়ে একটি আধুনিক নগর অব কাঠামো পৌরসভা গঠন করেছেন।

[৭] শেরপুর পৌরসভার মেয়র পদে আওয়ামী লীগের ৫ মনোনয়ন প্রত্যাশীর মধ্যে তৃণমূলের বিদ্রোহী অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার এবং আরিফ রেজা তৃণমূলের ভোট বর্জন করেছেন এবং তাদের দল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করলেও বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে জগমার্কা এবং অপর জন চামিচ মার্কা নিয়ে মাঠে লড়াই করছেন বলে জানান পৌরবাসী। শেরপুরের অভিজ্ঞমহল মনে করেন বিগত নির্বাচনে দলের বাইরে গিয়ে বিদ্রাহী প্রার্থীহয়ে নির্বাচন করে কেউ লাভবান হয়নি। শেষ পযর্ন্ত নৌকা এবং ধানের শীষের মধ্য লড়াইটা হবে বলেও রাজনৈতিক মহল মনে করেন। সম্পাদনা: হ্যাপি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত