আসিফুজ্জামান পৃথিল: [৩] উত্তর প্রদেশের মোরাদাবাদের শিশু সুরক্ষা কমিশন বিষয়টিকে সম্পূর্ণ ভূয়া বলে দাবি করেছে। কমিশনের চেয়ারম্যান বিশেষ গুপ্ত বলেন, ‘এই তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা। মহিলার গর্ভপাত করানো হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে শারীরিক পরীক্ষার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’ এমএসএন
[৪] কিছুদিন আগে রশিদ নামে এক মুসলিম পুরুষকে বিয়ে করেন মোরাদাবাদের ওই নারী। পরে লাভ জিহাদের অভিযোগ দায়ের করা হয় ওই দম্পতির বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে রশিদকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেই নারীকে প্রথমে নারী সুরক্ষা কেন্দ্রে পাঠানো হয়। পরে সরকারি হোমে স্থানান্তরিত করা হয় তাকে। দ্য হিন্দু
[৫] গণমাধমের কাছে সেই নারী দাবি করেন, তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে দেখেও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি নারী সুরক্ষা কেন্দ্র। পরিস্থিতির অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা ওষুধ এবং ইঞ্জেকশন দেওয়ার পরই তার গর্ভপাত হয়ে যায় বলে অভিযোগ করছেন তিনি। আনন্দবাজার
[৬] তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সেই নারীর অভিযোগকে সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন। জেলা হাসপাতালের সুপার পাল্টা দাবি করেন, তাকে রক্তক্ষরণ বন্ধ হওয়ার ওষুধ দেওয়া হয়েছিলো। আল্ট্রাসাউন্ডও করা হয়। কিন্তু ভ্রূণের কোনও সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি। মেরাটে তাকে স্থানান্তরের পরামর্শ দেয়া হয়। কিন্তু আত্মীয়রা বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান।