শিরোনাম
◈ শেষের পথে চট্টগ্রামের দ্বিতীয় আউটার রিং রোড, খুলছে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার ◈ ১০ টাকার নোটের দাম ২০ হাজার, সুন্দরবনে দস্যুদের অভিনব চাঁদাবাজি ◈ সঙ্গীসহ বিনামূল্যে ওমরাহ পালনের সুযোগ, আবেদন করবেন যেভাবে ◈ আট দিন ঝুপড়িতে বন্দি, পালানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ; কাঁচা কদু-ডাল খাইয়ে হাতে-পায়ে শিকল, যেভাবে পাহাড়ে চলত মানবপাচার ◈ এবার হবিগঞ্জে জাতীয় গ্রিডের পাইপলাইন ছিদ্র করে ৪ হাজার ২৯২ লিটার তেল চুরি ◈ পুলিশি হামলার বিচার চেয়ে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম, অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা শিক্ষার্থীদের ◈ কারাগারের নিরাপত্তা জোরদারে ৭ দফা নির্দেশনা, সিসিটিভি নজরদারি ও আকস্মিক পরিদর্শন বাধ্যতামূলক ◈ সরকারি দপ্তরে ঘুষ-খরচ কমলে শ্রমিকদের ৩০-৪০ হাজার টাকা বেতন দেওয়া সম্ভব: মাসুদুজ্জামান ◈ দুই দশকের বেশি সময়েও থামেনি রাজনৈতিক সহিংসতা, সরকার বদলালেও বদলায়নি সংঘাতের চিত্র ◈ সাধারণ লবণের বদলে পটাশিয়ামসমৃদ্ধ লবণ ব্যবহারে বছরে ৩০ লাখ মৃত্যু ঠেকানো সম্ভব: গবেষণা

প্রকাশিত : ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, ০৮:৪৮ রাত
আপডেট : ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, ০৮:৪৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

একসময় ছিল অভাব, এখন সেই গ্রামে ঘরে ঘরে কোটিপতি!

ভারতের কিছু গ্রাম তাদের সুস্বাদু খাবার আবার কিছু গ্রাম হস্তশিল্পের জন্য পরিচিত। তবে মহারাষ্ট্রের একটি গ্রাম সম্পূর্ণ ভিন্ন এক কারণে খ্যাতি কুড়িয়েছে। কৃষি ও দুগ্ধখামারের মাধ্যমে বাসিন্দাদের ভাগ্য বদলে যাওয়ায় গ্রামটি পরিচিতি পেয়েছে ‘মিলিয়নিয়ার ভিলেজ’ বা কোটিপতিদের গ্রাম হিসেবে।

মহারাষ্ট্রের অহিল্যানগর জেলায় অবস্থিত এই অনন্য গ্রামটির নাম ‘হিওয়ারে বাজার’। নব্বইয়ের দশকে পঞ্চায়েত প্রধান (সরপঞ্চ) পোপটরাও পাওয়ার ও স্থানীয় বাসিন্দারা একযোগে পানি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়ার পর থেকে গ্রামটির চিত্র বদলাতে শুরু করে।

খরাপ্রবণ এলাকাটিতে বৃষ্টির পানি ধরে রাখতে তারা চেক ড্যাম ও কন্টুর ট্রেঞ্চ নির্মাণ করেন। এছাড়া পানি ব্যবহারের সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে প্রাপ্ত সম্পদের ওপর ভিত্তি করে শস্য নির্বাচন করা শুরু হয়। এসব পদক্ষেপ ভূগর্ভস্থ পানির স্তর বাড়ায় এবং কৃষকদের আয় বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কৃ্ষিতে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি আসা পরিবারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় গ্রামটি ‘কোটিপতিদের গ্রাম’ নামে পরিচিতি লাভ করে।

প্রথাগত পর্যটনকেন্দ্র না হলেও গ্রামীণ জীবন ও টেকসই কৃষি দেখতে পর্যটক ও শিক্ষার্থীরা প্রায়ই হিওয়ারে বাজারে আসেন। পর্যটকরা এখানে এলে মূলত কয়েকটি বিষয় উপভোগ করতে পারেন:

Advertisement

হনুমান মন্দির: গ্রামের প্রধান স্থানীয় দর্শনীয় স্থান।

পানি সংরক্ষণ প্রকল্প: বৃষ্টির পানি সংগ্রহ, চেক ড্যাম ও ট্রেন্স দেখে পানি ব্যবস্থাপনার কৌশল বোঝা যায়।

কৃষি পদ্ধতি: পানির সহজলভ্যতা কীভাবে ফসল নির্বাচনে প্রভাব ফেলে, তা দেখার সুযোগ রয়েছে।

পুনে থেকে সড়কপথে প্রায় ১১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই গ্রামে গাড়ি কিংবা ট্রেনে অহিল্যানগর হয়ে যাওয়া যায়।

সূত্র: এনডিটিভি

  • সর্বশেষ