মনিরুল ইসলাম : দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে অর্জিত গণতন্ত্র সুরক্ষায় দেশি-বিদেশি যেকোনো ষড়যন্ত্রের জবাব জনগণকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ শনিবার ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আয়োজিত শোভাযাত্রাপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তারেক রহমান বলেন, ৭ নভেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। একই সঙ্গে চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে মানুষের আত্মত্যাগের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য।
তিনি বলেন, আজকের বিপ্লব ও লড়াই হোক মানুষের প্রত্যাশা পূরণের। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে মানুষ অতীতে সংগ্রাম করেছে, সেই চেতনাকে ধারণ করেই সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
নেতাকর্মী ও উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, দেশি-বিদেশি যেকোনো ষড়যন্ত্র—তা দেশের অভ্যন্তরে কিংবা দেশের বাইরে থেকে পরিচালিত হোক—সব ষড়যন্ত্রের জবাব ঐক্যবদ্ধভাবেই দেওয়া হবে। এ দেশের বীর জনগণকে অতীতেও কেউ দাবিয়ে রাখতে পারেনি, ভবিষ্যতেও পারবে না।
৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক তাৎপর্য তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ৭ নভেম্বর জাতীয় ঐক্যের দিন। এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার দিন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের বাকস্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার দিন।
তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষের অধিকার, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জনগণের সম্মিলিত শক্তির মাধ্যমেই যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করা সম্ভব।
উল্লেখ্য, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আয়োজিত কর্মসূচিতে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন। উদ্বোধন শেষে পায়ে হেঁটে প্রধানমন্ত্রী শোভাযাত্রায় অংশ নেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শোভাযাত্রাটি ফার্মগেট অতিক্রম করছে। শেষ হবে মানিকমিয়া এভিনিউতে গিয়ে।