শিরোনাম
◈ চার বছর পর গম-আটা-ময়দা রপ্তানিতে ভারতের সব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বাংলাদেশে বাড়তে পারে আমদানির সুযোগ ◈ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ◈ চলতি অর্থবছরেই দেশের সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে: প্রতিমন্ত্রী ◈ ইং‌লিশ লি‌গে চেল‌সি ফুলহ্যামকে হারালো ৩-২ গো‌লে ◈ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভাইরাল প্রধান শিক্ষকের কাণ্ড (ভিডিও) ◈ একীভূত পাঁচ ব্যাংকের গ্রাহকেরা ১ সেপ্টেম্বর থেকে চাহিদামতো টাকা তুলতে পারবেন ◈ আমার ছেলেকে হত্যার চেষ্টা করছে ইরান: নেতানিয়াহু ◈ চট্টগ্রাম-মোংলা-পায়রা বন্দর ব্যবহারে ভারতের সুবিধা, আওয়ামী লীগ আমলের তিন চুক্তি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন! ◈ ব্যাটারিচালিত রিকশার জন্য দ্রুত নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে : তথ্য উপদেষ্টা ◈ প্রতি ম‌্যা‌চের জন‌্য ৪.৮৫ কো‌টি টাকা, নতুন টাইটেল স্পনসর খুঁজছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড

প্রকাশিত : ১২ জুলাই, ২০২০, ১২:০৪ দুপুর
আপডেট : ১২ জুলাই, ২০২০, ১২:০৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দেশে ছাত্রদের শিক্ষা ঋণ শুধুই বিজ্ঞাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ: শিক্ষা উপমন্ত্রী

মহিবুল হাসান চৌধুরী: দেশে অনেক ব্যাংক হয়েছে। সাধারণ মানুষকে সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে তাদের সবার চেষ্টা একটি একাউন্ট খুলে দিয়ে শুধুই ডিপোজিট সংগ্রহের দিকে। জনগণের ক্ষুদ্র সঞ্চয় দিয়ে, বড় বড় বিনিয়োগেই তাদের বেশি আগ্রহ। সাধারণ মানুষের ভোগ সক্ষমতা এবং উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর জন্য, ব্যক্তি পর্যায়ে ভোক্তা ঋণ সুবিধা, ক্ষুদ্র মাঝারি ব্যবসা বা শিল্পে অর্থায়নে ব্যাংকগুলোর তেমন আগ্রহ দেখা যায় না, যা দেখা যায় নামমাত্র। শাখা সমূহের সৌন্দর্য বৃদ্ধি, নির্বাহীদের বিশাল বেতন ভাতা, পরিচালকদের পেছনে বিশাল অংকের টাকা খরচে যতোটা তারা আগ্রহী, আর্থিক অন্তর্ভুক্তির মূল শর্ত, সাধারণ মানুষের ব্যক্তি পর্যায়ে ক্ষুদ্র মাঝারি অর্থায়নে ততোটা আগ্রহী তারা নয়। সব ব্যাংকের উচ্চপর্যায়ের নির্বাহীরা সবাই আসলে বাস্তবে বিনিয়োগ বা ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকার। রিটেইল ব্যাংকিং পর্যায়ে ডিপোজিট সংগ্রহকেই তারা মনে করেন আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, অর্থায়নে নয়। আমাদের টাকা ব্যাংকে সঞ্চয় হিসাব খুললেও আমাদেরই থাকতো না খুললেও আমাদেরই থাকতো।

আমি হিসাব খুলে শুধু টাকা ব্যাংকে দিয়ে আসি, ব্যাংক আমাকে কি ঋণ সুবিধা দেয় ব্যক্তি পর্যায়ে? আমি এখনো জামানতবিহীন ২০,০০০ টাকা থেকে ১০ লাখ টাকার ঋণ পেয়েছেন এমন একজনকেও পাইনি। অথচ বাংলাদেশ ব্যাংক এই ব্যাপারে অনেক আগেই অনুমতি দিয়েছে। হয়তোবা কাগজে কলমে এই জামানতবিহীন ঋণের অস্তিত্ব আছে, কিন্তু এরা এতই বিরল, চোখে দেখা যায় না। করোনা মহামারির অর্থনৈতিক ক্ষতি পুষিয়ে ওঠার অন্যতম কৌশল সাধারণ ব্যক্তির ভোগ সক্ষমতা বাড়ানো, যার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ ভোগের খাত বৃদ্ধি পাবে। ধনী ব্যক্তির ভোগ সক্ষমতা আরো ঋণ দিয়ে বাড়ানোর চাইতে সাধারণের সক্ষমতা বাড়ানোর কাজ করলে ব্যাংকগুলো সাধারণ মানুষের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে পারবে এবং দেশের অভ্যন্তরীণ ভোগ আরো শক্তিশালী হবে। তবে বর্তমান প্র্যাক্টিস হলো হবিগঞ্জ থেকে সঞ্চয় নিয়ে, গুলশানের ব্যবসায়ী কে ঋণ দেয়া।
দামি গাড়ি বাড়ি ঘড়ির লোক না হলে ব্যাংক অর্থায়ন করে না। বিদেশে আমরা দেখি ব্যক্তি পর্যায়ে আমরা ছাত্র অবস্থাতেও টাকায়

২০,০০০ থেকে দশ লাখ টাকা সম্পূর্ণ বিনা জামানতে ক্রেডিট স্কোরের ভিত্তিতে ঋণ পেয়েছি। ঋণ নিয়ে অনেকেই পড়াশোনা করেছে, নিজের ভাগ্যের উন্নয়ন করেছে। দেশে ছাত্রদের শিক্ষা ঋণ শুধুই বিজ্ঞাপনের মধ্যে সীমাবদ্ধ, অথচ লেপটপ, কম্পিউটার কিনতে, টিউশন ফি দিতে, অনেক কিছুতেই ব্যাংকগুলো ঋণ দিতে পারে, কিন্তু গরিবের সঞ্চয়ের অর্থে ধনীর গাড়ি কিনতে ঋণ দিতেই তাদের আগ্রহ বেশি। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ