শিরোনাম
◈ হরমুজ প্রণালিতে মাইন শনাক্তে ইরান বিপাকে, সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন যুক্তরাষ্ট্রের ◈ অভিন্ন ভবিষ্যৎ ও কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে এনডিটিভিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের বার্তা ◈ কোন শিল্পপতিকে বাঁচাতে হাসিনাকে দিল্লিতে আশ্রয়, অমিত শাহকে প্রশ্ন অভিষেকের! (ভিডিও) ◈ দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি বিমান হামলায় নিহত ১০ ◈ ১৪ এপ্রিল ১০ উপজেলায় ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ যুক্তরাষ্ট্র–ইরান যুদ্ধবিরতি: কার কী শর্ত, কোথায় অনিশ্চয়তা? ◈ বাগেরহাটে দিঘিতে কুমিরের শিকার কুকুর, প্রত্যক্ষদর্শীরা যা জানালেন ◈ চাকরি প্রার্থীদের জন্য বড় সুখবর আসছে! ◈ এক মাসে ৫৩২ মৃত্যু, থামছে না সড়ক দুর্ঘটনার মিছিল ◈ যেসব শিক্ষার্থীরা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি সহায়তা পাবেন ৬ হাজার টাকা, আবেদন করবেন যেভাবে

প্রকাশিত : ০১ জুন, ২০২০, ০৯:২৬ সকাল
আপডেট : ০১ জুন, ২০২০, ০৯:২৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ঢাবিতে আজ থেকে বন্ধ হচ্ছে করোনার নমুনা পরীক্ষা

ডেস্ক রিপোর্ট : [২] ল্যাব পরিচালনায় আর্থিক সংকট, নিরাপত্তাহীনতা, বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কাজ শুরু হওয়া, গবেষণাগারের যন্ত্রপাতি একাডেমিক কাজে ব্যবহারসহ কয়েকটি কারণে এ কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান জানিয়েছেন, বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে।

[৩] স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতিতে ৫ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড রিসার্চ ইন সায়েন্সেস (সিএআরএস) ভবনের ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের করোনা ভাইরাস রেসপন্স টেকনিক্যাল কমিটি। গবেষণাগারে ২টি পিসিআর মেশিনে প্রতিদিন প্রায় ৪০০ নমুনা পরীক্ষা করা হতো।

[৪] স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেয়া কিট, পার্সোনাল প্রটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক খরচে চলত এই নমুনা পরীক্ষার কার্যক্রম। কিন্তু রোববার থেকে সীমিত পরিসরে বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কাজ শুরু হওয়ায় এ কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

[৫] উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান বলেন, একটি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই এটি বন্ধ করে দিচ্ছি। আর্থিক কারণে নয়, আমাদের আগে থেকেই কথা ছিল ৩১ মে পর্যন্ত আমরা এটা চালিয়ে যাব। এটা হাসপাতাল নয়, এটা বিশ্ববিদ্যালয়। আমাদের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণায় সময় দিতে হবে। ল্যাবের আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি আমাদের বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট থেকে নিয়ে আসা হয়েছে। এগুলো এখন সেখানে গবেষণার কাজে প্রয়োজন হচ্ছে। সেগুলো এখন জীবাণুমুক্ত করে আবার সেখানে স্থাপন করতে হবে। মূলত এজন্য করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার কাজটা আর করা হচ্ছে না।

[৬] সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ল্যাবটিতে করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০/১২ জন শিক্ষক ও ১৫/২০ জন শিক্ষার্থী কাজ করছিলেন। শিক্ষকরা স্বেচ্ছায় কাজ করলেও প্রতি মাসে ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা খরচ হচ্ছে। খরচের বিষয়টি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে অবগত করা হলেও কোনো সহযোগিতা পাওয়া যায়নি বলে জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় করোনাভাইরাস রেসপন্স টেকনিক্যাল কমিটির আহ্বায়ক শরীফ আখতারুজ্জামান।

[৭] তিনি বলেন, কয়েকটি কারণে আমরা আর করোনা ভাইরাস স্যাম্পল টেস্ট করব না। ল্যাব পরিচালনা করতে প্রতিমাসে প্রায় ১০ থেকে ১৫ লাখ টাকা খরচ হচ্ছে, যা বহন করা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে কঠিন এবং বাড়তি চাপ। তাছাড়া যারা কাজ করছে, তাদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তা, সুযোগ-সুবিধা দেয়া হচ্ছে না। ভলান্টিয়ারদের অন্তত কিছু প্রণোদনা দেয়া উচিত ছিল। কিন্তু আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি জানিয়েও কোনো সাড়া পাইনি।

[৮] স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) নাসিমা সুলতানা বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা স্বেচ্ছায় এ দ্বায়িত্ব নিয়েছেন। আর্থিক সহায়তার কোনো কথা ছিল না। যেসব বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে করোনা ভাইরাস টেস্ট করছে, তাদের কারও জন্যই সরকারের পক্ষ কোনো বরাদ্দ নেই। আমরা তাদেরকে শুধু পিপিই, কিট ও স্যাম্পল সরবরাহ করেছি। এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর টেস্ট না করাতে চাইলে, এটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। বিডিনিউজ২৪, বাংলা

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়