পঞ্চগড়-১ আসনের আটোয়ারী উপজেলায় ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের সমর্থকদের মধ্যে মারামারি হয়েছে। এতে দুই পক্ষের অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন।
গতকাল সোমবার রাতে উপজেলার ধামোর ইউনিয়নের রমজানপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিএনপি ও এনসিপি একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে।
বিএনপির দাবি, তাদের প্রার্থী ব্যারিস্টার নওশাদ জমিরের ব্যানার ছেঁড়ার প্রতিবাদ করায় এনসিপির নেতাকর্মীরা তাদের ওপর হামলা চালায়। অপরদিকে এনসিপির অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে রাস্তায় গাছের গুঁড়ি ফেলে তাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সংঘর্ষে ধামোর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আশরাফুল ইসলামসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে জামায়াত-এনসিপি জোটের আটজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে এনসিপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে সাতজন আটোয়ারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
ঘটনার পরপরই পুলিশ, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই লিখিত অভিযোগ দেয়নি।
এ বিষয়ে জানতে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি সমর্থিত ধজিবুল হককে ফোন করা হলে তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রাত ১১ দিকে বিএনপির ব্যানার ছিঁড়ে ফেলাকে কেন্দ্র করে এনসিপির লোকদের সাথে আমাদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আমার মাথায় ইট এসে পড়ে মাথা ফেটে যায়। আমাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে পঞ্চগড় হাসপাতালে নিয়ে আসার চেষ্টা করলে তারা (বিপরীত পক্ষ) রাস্তায় অ্যাম্বুলেন্সের চাবি নিয়ে নেয়।’
ব্যানার ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ অস্বীকার করে সারজিস আলম বলেন, ‘বিএনপির সন্ত্রাসীরা ভোটে ভীতি সৃষ্টি করার জন্য এমন হামলা করছে। এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয় নাই। আইনজীবীদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে।’ উৎস: আজকের পত্রিকা।