জিয়া উদ্দিন সিদ্দিকী, আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধিঃ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-১ আসন (বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী) ঘীরে জমে উঠেছে নির্বাচনী মাঠ। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই আসনটি। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ না থাকলেও ভোটের মাঠে রয়েছে এর প্রভাব। এছাড়াও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটাররাও জয়-পরাজয়ে বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠবেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগের সমর্থক ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোট যেদিকে বেশি যাবে, শেষ পর্যন্ত জয় তারই হবে। মাঠের হিসেবে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মোল্লার সঙ্গে হাড্ডা-হাড্ডি লড়াই হবে চরমোনাই পীরের প্রার্থী কেওড়াবুনিয়া দরবার শরীফের পীর মাওলানা মাহমুদুল হাসান অলিউল্লাহর।
বরগুনা জেলায় সংসদীয় আসন ছিল ৩টি। ২০০৮ সালে ২টি আসনে রূপান্তর করা হয়।
এবারের নির্বাচনে এই আসনে মোট ৪জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মাঠে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা এবং জোটবিহীন চরমোনাই পীরের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী কেওড়াবুনিয়া দরবার শরীফের পীর মাওলানা মাহমুদুল হাসান অলিউল্লাহ। এর মধ্যে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসাইন (দেয়াল ঘড়ি) এবং জাতীয় পার্টি (জেপি) প্রার্থী জামাল হোসাইন (সাইকেল) প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তাদের প্রচার-প্রচারণা ও জনসমর্থন তুলনামূলকভাবে কম বলে ভোটাররা মনে করছেন।
এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ১৩ হাজার ১৭৩ জন। বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মোল্লা বলেন, 'বরগুনা -১ আসনের মানুষ পরিবর্তন চায় । ধানের শীষের পক্ষে একটা অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছি। আমি নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়ন , কর্মসংস্থান ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করব।'
ইসলামী আন্দোলনের মনোনীত হাত পাখা প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ বলেন , 'ভোটাররা এখন সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব চান। আমরা দলীয় ভোটের পাশাপাশি সব সম্প্রদায়ের ভোটারের সমর্থন চাই। আমি এমপি হলে সবাইকে নিয়ে একসাথে কাজ করব।