বিদেশা এরশাদ : ১. করোনাভাইরাসের মহামারী রোধকল্পে প্রতিটি জেলা সদরে করোনা শনাক্তকরণ পরীক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। ২. করোনাভাইরাস শনাক্তকরণের কিট আমদানির ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি পর্যায়ে উৎসাহিত করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সঙ্কট নিরসন করা। ৩. ডাক্তারদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে তাদের কর্মস্থলে যোগদানের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
৪. করোনায় আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসাসেবা শতভাগ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা। ৫. লকডাউন অবস্থায় সিটি করপোরেশন কর্তৃক নির্ধারিত এলাকায় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও জীবাণুনাশক প্রয়োগ করা। ৬. দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ছাত্রছাত্রীদের মাধ্যমে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন তৈরি করে বাড়ি বাড়িতে করোনাবিরোধী গণসচেতনতা তৈরি করা। ৭. করোনায় আক্রান্ত হয়ে যদি কেউ মৃত্যুবরণ করেন তাহলে তার দাফন সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে জেলা পর্যায়ে ২০ সদস্যের একটি টিম তৈরি করা। ৮. প্রতিটি জেলায় এই দুর্যোগ মোকাবেলা করার জন্য ব্যবসায়িক সংগঠনগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ফান্ড গঠন করা।
৯. সরকারি ত্রাণ বিতরণের ক্ষেত্রে সেনা সদস্যদের ব্যবহার করা। ১০. এলাকার মসজিদ-মাদ্রাসাগুলোতে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য প্রতিদিন কোরআন খতমের ব্যবস্থা করা। ১১. সরকারি-বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়ন পরিষদে যথাক্রমে দৈনিক ১০০০ থেকে ৫০০ লোকের রান্না করা খাবারের ব্যবস্থা করা। ১২. এই দুর্যোগপূর্ণ সময়ে ডাক্তারদের প্রাইভেট চেম্বারগুলোতে ৫০ টাকা ফিতে রোগী দেখার ব্যবস্থা করা। ১৩. দেশের সব ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নামমাত্র মূল্যে প্রয়োজনীয় টেস্টসমূহ করার ব্যবস্থা করা। ১৪. দেশের প্রতিটি জেলা সদরে সরকারি হাসপাতালগুলোতে কমপক্ষে ১৫ সিটের করোনা ইউনিট চালু করা। ১৫. বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশে অবস্থিত সব মেডিসিন কোম্পানিগুকে বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় মেডিসিন সরবরাহের মাধ্যমে সরকারকে সহযোগিতা করা। ১৬. বাসাবাড়িতে করোনায় আক্রান্ত রোগীর তথ্য যাতে কেউ গোপন রাখতে না পারে সে জন্য স্থানীয় ওয়ার্ড কমিশনারের নেতৃত্বে মনিটরিং সেল তৈরি করা । বর্তমান সময়ে উপরোক্ত প্রস্তাবনাগুলো মেনে চলতে পারলে হয়তো আমরা অনেকদূর এগিয়ে যেতে পারবো ইনশাআল্লাহ। ফেসবুক থেকে