প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] পৃথিবীর সঙ্গে তুলনা করলে বাংলাদেশ এখন অনেক ভালো আছে, ৫০০ ভেন্টিলেটর আছে, আরো ৩৫০ আমদানির পথে, জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

লাইজুল ইসলাম ও তাপসী রাবেয়া : [২] রোববার দুপুরে আইইডিসিআরের সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, রাজধানীসহ সারাদেশের সরকারি হাসপাতালে ৫০০ ভ্যান্টিলেটর আছে। সবগুলো এখনো আমরা প্রস্তুত করতে পারিনি। আর প্রাইভেট ৭০০ আছে। আমদানির গুলো হাতে পৌছাতে সময় লাগবে।

[৩] তিনি বলেন, সরকারি ভাবে ছুটি ১০ এপ্রিল শেষ হবে। এরপর আমরা পর্যবেক্ষণ করবো। প্রধানমন্ত্রীও করবেন। ১০ দিনে যদি আমাদের ও পৃথিবীর অবস্থা স্বাভাবিকের দিকে আসে তবে এক ধরনের সিদ্ধান্ত, না আসলে আরেক ধরনের সিদ্ধান্ত হবে। ছুটির বাড়াতে বা কমাতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী তা করবেন।

[৪] ট্রেনে বাসে লঞ্চে করে যেভাবে দেশের মানুষ ছুটির সময় ছুটলেন এটা মোটেও ঠিক হয়নি। এটা সংক্রমণের পরিবেশ তৈরি করে দিয়েছে। এতে আরো লোক অবশ্যই সংক্রমিত হয়েছে। ছুটি শেষে ঢাকায় ফেরার সময় নিজেদের সেফটি ঠিক রেখে ঢাকায় ফিরে আসা উচিত হবে।

[৫] দুর্যোগপূর্ণ অবস্থায় মানুষের সহায়তায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসছে। কেউ পিপিই, জায়গা, মাস্ক দিচ্ছে। যদি আকিজ গ্রুপ হাসপাতাল করে দিতে চায় তাহলে এটা তো দেশ ও এলাকাবাসীর জন্য সুবিধা হবে। আর ওটা যদি প্রয়োজন না হয় আমরা ব্যবহার করবো না। এলাকবাসীর ওয়ারিড হওয়ার দরকার নাই। সবাইকে সহনশীল হওয়া আহ্বান জানান মন্ত্রী।

[৬] পিপিই বিতরণ সঠিক ভাবেই হচ্ছে। পুলিশ ও প্রশাসন যা পড়ে ঘুরছেন তা তাদের নিজস্ব। অন্যান্য সংস্থা নিজেরাই কিনে ব্যবহার করছে। হাসপাতালের লোকজন পাচ্ছেন না এমন অভিযোগ সত্য না। পিপিই শুষম বন্টন হচ্ছে। প্রাইভেট হাসপাতালের ডাক্তার ও নার্সদের দ্রুত পিপিই দেওয়ার জন্য মালিকদের প্রতি আহ্বান জানান মন্ত্রী।

[৭] বুধবার গোড়ানে একটা লাশের সঙ্গে ওয়ার্ড বয় ও ড্রাইভার ছিলো, এমন প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, লাশ দাফন করার নির্দিষ্ট প্রটোকল রয়েছে। যারা লাশ দাফন করবেন তারা এটি পালন করবেন। এ বিষয়ে জানাতে পারবেন আইইডিসিআর। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে কেউ আক্রান্ত হতে পারে। তবে তিনি আক্রান্ত নন বলে জানান। সবার মত নির্দেশনা অনুযায়ী হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন বলেও জানা মন্ত্রী।

[৮] ঢাকার বাইরে বড় বড় হাসপাতাল গুলোতে একটি আইসিইউ ইউনিট তৈরি করার জন্য বলে রাখা হয়েছে। প্রকৃত পক্ষে আইসিইউ সব সময় ব্যবহৃত থাকে। আইসিইউয়ের ভেন্টিলেটর হাতে এসেছে তা পাঠানো হয়েছে।

[৯] জাহিদ মালেক বলেন, আগে করোনা টেস্ট এক জায়গা থেকে করা হতো। এখন ১১টি স্থান থেকে টেস্ট করতে সক্ষম। নির্দেশনা দিয়েছি প্রত্যেকটি হাসপাতালে এই টেস্টের ব্যবস্থা করে রাখতে। ল্যাবগুলো নিরাপদ করতে আমরা কাজ করছি। যারা ল্যাবে কাজ করবেন তাদেরকেও ট্রেইনড করতে হবে। এগুলো রাতারাতি করা সম্ভব না।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত