শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ১২:৫৯ রাত
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তেলের দামের চাপ: সৌদি আরবের উচ্চাকাঙ্ক্ষী ‘মুকাব’ প্রকল্প স্থগিত

রাজধানী রিয়াদে নির্মাণাধীন ‘মুকাব’ নামের বিশাল ঘনকাকৃতির আকাশচুম্বী ভবন নির্মাণের প্রকল্পটি আপাতত স্থগিত করেছে সৌদি আরব। এ বিষয়ে অবগত চারটি সূত্রের বরাতে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, প্রকল্পটির অর্থায়ন ও বাস্তবায়নযোগ্যতা নতুন করে পর্যালোচনার অংশ হিসেবেই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে। ‘মুকাব’ ছিল রিয়াদের নিউ মুরাব্বা ডাউনটাউন উন্নয়ন প্রকল্পের কেন্দ্রবিন্দু এবং সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০-এর সঙ্গে যুক্ত সবচেয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষী ‘গিগা প্রকল্পগুলোর’ একটি।

আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ সার্বভৌম সম্পদ তহবিল সৌদি আরবের ‘পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড’ (পিআইএফ) বর্তমানে ব্যয় নিয়ন্ত্রণ ও অগ্রাধিকার নির্ধারণের কৌশলে এগোচ্ছে। এর ফলে ভিশন ২০৩০-এর আওতায় ঘোষিত বেশ কয়েকটি ভবিষ্যৎমুখী প্রকল্প হয় সীমিত করা হচ্ছে, নয়তো বিলম্বিত হচ্ছে। ‘মুকাব’ প্রকল্পটি সেই তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন।

advertisement

সৌদি আরব এখন তুলনামূলকভাবে বেশি জরুরি ও দ্রুত লাভজনক প্রকল্পে মনোযোগ দিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে ২০৩০ সালের ওয়ার্ল্ড এক্সপো ও ২০৩৪ ফুটবল বিশ্বকাপ ঘিরে অবকাঠামো উন্নয়ন, ৬০ বিলিয়ন ডলারের দিরিয়াহ সাংস্কৃতিক অঞ্চল ও কিদ্দিয়া পর্যটন মেগা প্রকল্প। তেলের দাম প্রত্যাশিত মাত্রার নিচে থাকায় দেশটির সরকারি ব্যয়ের ওপর চাপ বাড়ছে, যা এই কৌশলগত পরিবর্তনের অন্যতম কারণ।

‘মুকাব’ প্রকল্পটি ছিল ৪০০ মিটার বাই ৪০০ মিটার আয়তনের একটি ধাতব ঘনক, যার ভেতরে থাকত একটি বিশাল গম্বুজ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নিয়ন্ত্রিত প্রদর্শনী ব্যবস্থা। এই প্রদর্শনী ভবনটির ভেতরে থাকা ৩০০ মিটারের বেশি উচ্চতার ধাপযুক্ত কাঠামো থেকে দর্শনার্থীরা উপভোগ করতে পারতেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পটির সিইও মাইকেল ডাইক বলেছিলেন—মুকাবে প্রবেশ মানেই অন্য এক জগতে প্রবেশ। তবে তিনি এটাও স্বীকার করেছিলেন যে, এমন কিছু বাস্তবায়ন করা অনেক বড় চ্যালেঞ্জ।

advertisement

বর্তমানে এই প্রকল্পের মাটি খনন ও পাইলিংয়ের পরবর্তী সব কাজ স্থগিত রয়েছে। যদিও আশপাশের আবাসিক ও বাণিজ্যিক উন্নয়নকাজ চলবে বলে জানা গেছে। মুকাব ভবনটি এতটাই বিশাল হওয়ার কথা ছিল যে, এর ভেতরে ২০টি এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং অনায়াসে স্থান পেত এবং এতে প্রায় ২০ লাখ বর্গমিটার অভ্যন্তরীণ ফ্লোর স্পেস থাকত।

রিয়েল এস্টেট পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নাইট ফ্র্যাঙ্কের হিসাবে, পুরো নিউ মুরাব্বা প্রকল্পে ব্যয় হতে পারে প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলার। শুরুতে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পটি শেষ করার লক্ষ্য থাকলেও এখন সময়সীমা বাড়িয়ে ২০৪০ ধরা হয়েছে।

advertisement

 

  • সর্বশেষ