শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:২৬ বিকাল
আপডেট : ১০ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইতিহাস থেকে মুঘল-সুলতানি আমল বাদ দেওয়া 'ননসেন্স': ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তনে রোমিলা থাপারের ক্ষোভ

ইতিহাস একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া, যা টুকরো টুকরো করে শেখানো যায় না। ভারতের বিশিষ্ট ও প্রবীণ ইতিহাসবিদ রোমিলা থাপার এ কথা বলেছেন। সরকারি পাঠ্যপুস্তক থেকে সুলতানি ও মুঘল আমলকে বাদ দেয়ার চেষ্টাকে তিনি ননসেন্স (বাজে ব্যাপার) বলে অভিহিত করেছেন।

কেরালা সাহিত্য উৎসবে অনলাইনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে থাপার সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয় ইতিহাসের উত্থান থেকে শুরু করে নারীবাদী ইতিহাসের গুরুত্ব এবং বিদ্যমান জ্ঞানকে প্রশ্নবিদ্ধ করার ক্ষেত্রে শিক্ষার কেন্দ্রীয় ভূমিকা পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, যে ধরণের ঘটনা ঘটছে, উদাহরণস্বরূপ, ইতিহাসের কিছু অংশ পাঠ্যক্রম থেকে বাদ দেয়া হচ্ছে অথবা আমাদের বলা হচ্ছে যে আমাদের সেগুলি অধ্যয়ন করার দরকার নেই, তা অর্থহীন। ইতিহাস একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। এটি মানুষ এবং সংস্কৃতির, আচরণের এবং চিন্তাভাবনার পদ্ধতির বিবর্তন বলে থাপার  বলেন।২৫টিরও বেশি বইয়ের লেখক এই বিখ্যাত ইতিহাসবিদ বলেন, আমরা এই রাজবংশকে বাদ দেই, আমরা মুঘলদের বাদ দেই, আমরা ওটাকে বাদ দেই। কিন্তু এই কথা বলে এই ধারাবাহিকতা ভাঙা যাবে না। এটি ইতিহাসকে ভেঙে দেয়। এর কোনও অর্থ হয় না।

সম্প্রতি জাতীয় শিক্ষা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ পরিষদ (এনসিইআরটি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য তাদের ৭ম শ্রেণির সামাজিক বিজ্ঞান পাঠ্যপুস্তক সংশোধন করেছে বলে জানা গেছে। দিল্লি সুলতানি এবং মুঘলদের উপর অধ্যায়গুলি সরিয়ে দিয়েছে।

সূত্র: মানবজমিন

  • সর্বশেষ