প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বছরের ৭ মাস ১০ টাকা কেজিতে চাল পাবে গ্রামপুলিশ

তন্নীমা আক্তার : গ্রামপুলিশকে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর পদমর্যাদা দিতে এবং সে অনুযায়ী জাতীয় বেতন স্কেলে তাদের অন্তর্ভুক্ত করে বেতন প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এ নির্দেশ এখনো কার্যকর হয়নি। কিন্তু এরই মধ্যে নতুন করে আরও একটি সুখবর পাচ্ছেন গ্রামপুলিশের সদস্যরা। শিগগিরই প্রত্যেক সদস্য ১০ টাকা কেজিতে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল পাচ্ছেন। সূত্র : যায়যায়দিন

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় বছরের ৭ মাস তাদের এ সুবিধা দেয়া হবে। গ্রামপুলিশের ৪৫ হাজার ৬৯০ সদস্যকে এ সুবিধা দিতে মোট নয় হাজার ৫৯৭ টন চালের প্রয়োজন হবে। এক্ষেত্রে সরকারকে ভর্তুকি দিতে হবে ৩২ কোটি ১৪ লাখ ৩ হাজার ৫৩০ টাকা। স¤প্রতি এ বিষয়ে অর্থ বিভাগের সম্মতি চেয়ে অর্থ সচিবের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

প্রাথমিকভাবে গ্রামপর্যায়ে পাহারা ব্যবস্থা চালুর জন্য কয়েকটি গ্রাম নিয়ে একটি করে ইউনিয়ন পরিষদ সৃষ্টি হলেও কালক্রমে প্রতিষ্ঠানটি তৃণমূল পর্যায়ের আইনশৃঙ্খলা, আর্থ-সামাজিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের মূল ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি কর্তৃক পরিচালিত ইউনিয়ন পরিষদের যাবতীয় কর্মকান্ড একজন ইউনিয়ন পরিষদ সচিব ও ১০ জন পুলিশ দ্বারা সম্পাদিত হয়।

গ্রামপুলিশ হিসেবে প্রতিটি ইউনিয়নে ১জন দফাদার ও ৯জন করে মহালস্নাদার কর্মরত। গ্রাম পর্যায়ে চুরি-ডাকাতি রোধ করাও তাদের কাজের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া ভিজিডি ও ভিজিএফ চাল বিতরণ, গ্রাম আদালত পরিচালনা কাজে সহযোগিতা, নোটিশ সার্ভ, ট্যাক্স সংগ্রহ কাজে সহযোগিতা থেকে শুরু করে তারা ইউনিয়ন পরিষদ তথা স্থানীয় জনসাধারণের সার্বিক কল্যাণের জন্য গৃহীত সকল প্রকার কাজের সহযোগিতা প্রদান করেন।

জানা যায়, বর্তমানে ৪ হাজার ৫৬৯টি ইউনিয়ন পরিষদে একজন করে মোট ৪ হাজার ৫৬৯ জন দফাদার এবং প্রতি ইউনিয়নে ৯জন করে মোট ৪১ হাজার ১২১ জন মহলস্নাদার নিযুক্ত রয়েছেন। দফাদার ও মহলস্নাদারদের মোট সংখ্যা ৪৫ হাজার ৬৯০ জন। ৪৫ হাজার ৬৯০ জন গ্রামপুলিশকে মাসিক ৩০ কেজি হিসাবে চাল দিতে হলে প্রতি মাসে ১ হাজার ৩৭১ টন চাল প্রয়োজন। ৭ মাসে মোট চালের প্রয়োজন হবে ৯ হাজার ৫৯৭ টন। সম্পাদনা : মাজহারুল ইসলাম

সর্বাধিক পঠিত