শিরোনাম
◈ ২০৩০ সালে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির ওপর ৫% কার্বন কর আরোপ করবে ইইউ ◈ ব্যাংকঋণে শীর্ষে সরকার, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও সার খাতে বাড়বে ভর্তুকি ◈ ইরান যুদ্ধ ঠেকাতে মাঠে চীন-পাকিস্তান, ৫ দফা পরিকল্পনা প্রকাশ ◈ সংবিধান সংশোধন বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব ◈ সিঙ্গাপু‌রের কা‌ছে এক গো‌লে হে‌রে এশিয়ান কাপ বাছাই শেষ করলো বাংলাদেশ ◈ সংবিধান কি মনে করিয়ে দেয় এটা একাত্তরের পরাজয়ের দলিল? প্রশ্ন পার্থের ◈ গাজী আশরাফ লিপুর আনুষ্ঠানিকভাবে দা‌য়িত্ব শেষ হলো, এবার পা‌বেন সম্মাননা ◈ সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ক্যান্সার আক্রান্ত, চিকিৎসার আবেদন করেছেন তার আইনজীবী ◈ বিগত সরকারের দুর্নীতিতে স্থবির স্বাস্থ্যখাত, সেবা উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ জলবায়ু ট্রাস্টের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : পরিবেশ মন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৫ আগস্ট, ২০১৯, ০৪:০৩ সকাল
আপডেট : ১৫ আগস্ট, ২০১৯, ০৪:০৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিনিয়োগ হয়নি ভারতের ৬০ হাজার কোটি রুপির কার্বন কর

নূর মাজিদ : কয়লাখাতে আরোপ করা কার্বন করের মাধ্যমে ১ লাখ কোটি রূপি আদায় করেছে ভারত। যার মাত্র ৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদন ও প্রযুক্তির বিকাশে বিনিয়োগ সহায়তা এবং প্রণোদনা বাবদ খরচ করা হয়েছে। অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে বাকি ৬০ ভাগ। খবর : ইকোনমিক টাইমস, টাইমস অব ইন্ডিয়া।

নবায়নযোগ্য এবং দূষণমুক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনে সহায়ক তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশ্যেই ২০১০ সালে কার্বন কর চালু করা হয়। বর্তমানে যখন দেশটির বায়ু এবং সৌরশক্তিভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো শুল্কচাপ মোকাবিলা করছে, তখন এই বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ না করে ফেলে রাখার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন দেশটির অনেক বিশেষজ্ঞ।

২০১০-১১ অর্থবছরের বাজেটে কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিটন স্থানীয় এবং আমদানিকৃত কয়লায় ৫০ রূপি করারোপ করেন। এই করের ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে গঠন করা হয় ন্যাশনাল ক্লিন এনার্জি ফান্ড (এনসিইএফ)। এই তহবিলের মূল উদ্দেশ্য দূষণমুক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের সরকারি উদ্যোগে অর্থায়ন এবং গবেষণায় সহায়তা করা।

২০১৭-১৮ অর্থবছরে করের পরিমাণ প্রতিটনে ৪০০ রূপি করা হয়। এসময় তহবিলের মোট আকার ছিলো ৮৬ হাজার ৪৪০ কোটি রূপি। চলতি আগস্ট নাগাদ এর পরিমাণ ১ লাখ কোটি রূপি ছাড়িয়েছে। অথচ তহবিলের মাত্র ২৯ হাজার ৬১৪ কোটি রূপি সরকার এনসিইএফকে দিয়েছে। ফান্ডটি এই অর্থের ২৪ হাজার ৬১৪ কোটি রূপি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পে সরবরাহ করেছে। সবচেয়ে বেশি অর্থ পেয়েছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি মন্ত্রণালয়। মোট বরাদ্দের ৬৯ শতাংশ পায় মন্ত্রণালয়টি। সম্পাদনা :ইমরুল শাহেদ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়