শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা ◈ ‘পছন্দ না হলে মাজারে নাও আসতে পারেন, আঘাত-ভাঙচুর গ্রহণযোগ্য নয়’ ◈ জনসভা ছাড়িয়ে নিউজফিড: কেন সামাজিক মাধ্যমই এবারের নির্বাচনের মূল ময়দান ◈ উত্তরবঙ্গকে কৃষিভিত্তিক শিল্পের রাজধানী বানাতে চাই, বেকারত্ব দূর করবো: ডা. শফিকুর রহমান ◈ বিএনপি চাইলে ঢাকা শহরে জামায়াতের কোনো প্রার্থীই রাস্তায় নামতে পারবে না: ইশরাক হোসেন ◈ সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ইসির ◈ এক সপ্তাহে যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেফতার ২৭৮, অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার ◈ নতুন পে-স্কেল, রাজস্ব ঘাটতি ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি: পরবর্তী সরকার আর্থিক চাপে পড়বে ◈ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে: মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে প্রধান উপদেষ্টা ◈ আইসিসিকে ফের চিঠি বিসিবির, নিরপেক্ষ কমিটিতে দাবি পাঠানোর অনু‌রোধ

প্রকাশিত : ১৫ আগস্ট, ২০১৯, ০৪:০৩ সকাল
আপডেট : ১৫ আগস্ট, ২০১৯, ০৪:০৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিনিয়োগ হয়নি ভারতের ৬০ হাজার কোটি রুপির কার্বন কর

নূর মাজিদ : কয়লাখাতে আরোপ করা কার্বন করের মাধ্যমে ১ লাখ কোটি রূপি আদায় করেছে ভারত। যার মাত্র ৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্য শক্তি উৎপাদন ও প্রযুক্তির বিকাশে বিনিয়োগ সহায়তা এবং প্রণোদনা বাবদ খরচ করা হয়েছে। অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে বাকি ৬০ ভাগ। খবর : ইকোনমিক টাইমস, টাইমস অব ইন্ডিয়া।

নবায়নযোগ্য এবং দূষণমুক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনে সহায়ক তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশ্যেই ২০১০ সালে কার্বন কর চালু করা হয়। বর্তমানে যখন দেশটির বায়ু এবং সৌরশক্তিভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো শুল্কচাপ মোকাবিলা করছে, তখন এই বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ না করে ফেলে রাখার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন দেশটির অনেক বিশেষজ্ঞ।

২০১০-১১ অর্থবছরের বাজেটে কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিটন স্থানীয় এবং আমদানিকৃত কয়লায় ৫০ রূপি করারোপ করেন। এই করের ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে গঠন করা হয় ন্যাশনাল ক্লিন এনার্জি ফান্ড (এনসিইএফ)। এই তহবিলের মূল উদ্দেশ্য দূষণমুক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদনের সরকারি উদ্যোগে অর্থায়ন এবং গবেষণায় সহায়তা করা।

২০১৭-১৮ অর্থবছরে করের পরিমাণ প্রতিটনে ৪০০ রূপি করা হয়। এসময় তহবিলের মোট আকার ছিলো ৮৬ হাজার ৪৪০ কোটি রূপি। চলতি আগস্ট নাগাদ এর পরিমাণ ১ লাখ কোটি রূপি ছাড়িয়েছে। অথচ তহবিলের মাত্র ২৯ হাজার ৬১৪ কোটি রূপি সরকার এনসিইএফকে দিয়েছে। ফান্ডটি এই অর্থের ২৪ হাজার ৬১৪ কোটি রূপি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পে সরবরাহ করেছে। সবচেয়ে বেশি অর্থ পেয়েছে নবায়নযোগ্য জ্বালানি মন্ত্রণালয়। মোট বরাদ্দের ৬৯ শতাংশ পায় মন্ত্রণালয়টি। সম্পাদনা :ইমরুল শাহেদ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়