হাসান শান্তুনু : নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের কথাবার্তা শুনলে মনে হয় তিনি একদল ‘পলিটিক্যাল প্রোফেটস’র বিশেষ দূত। ওই ‘প্রোফেট’দের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসাতে পারলে দেশে ‘গণতন্ত্রের’ ¯্রােত বইতে থাকবে। সব ‘দোষ’ শুধু আওয়ামী লীগের সরকারের। অথচ একদিকে দায়িত্ব পালনে ‘বিবেকজাত সততার বুলি’ আওড়ানো, অন্যদিকে ‘বক্তৃতার’ নামে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) টাকা লোপাট...দুদিকেই সমানতালে কী দক্ষতা তালুকদার সাহেবের।
দায়িত্ব পালনে ‘সত্যপরায়ণতা’ চর্চার নামে এমন বক্তব্য মাহবুব তালুকদার অনেকবার দিয়েছেন, যা শুনে অনেকেই বিভ্রান্ত হয়েছেন তার ‘সততার’ কাল্পনিক কিছু বৈশিষ্ট্যের কথা মনে মনে ভেবে। বক্তৃতাবাজির নামে ইসির টাকা পকেটে নেয়ার সময় ‘দায়িত্বগত সততা’ সম্পর্কে নিজের গলাবাজির কথাও তার মনে পড়েনি? প্রশ্নটা যখন টাকা ভাগাভাগির, অনেকেরই তখন ধর্ম কী একটাই? গণমাধ্যমের সামনে কথা বলার সময় সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে ‘সততার ভাণ’ ধরা কী নিছকই অভিনয়? প্রয়াত লেখক আবদুল মান্নান সৈয়দের বলে যাওয়া ‘সত্যের মতো বদমাশের’ তালিকায় এখনো মাহবুব তালুকদারের নাম যোগ না করার আর কোনো যুক্তি আছে কি? ফেসবুক থেকে