শিরোনাম
◈ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে বিরোধে বাংলাদেশকে কেন সমর্থন দিচ্ছে পাকিস্তান? ◈ ২০২৯ সা‌লের ক্লাব বিশ্বকাপ আয়োজন করতে আগ্রহী ব্রাজিল ◈ বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ: অসহিষ্ণু হয়ে উঠছে নির্বাচনি প্রচার ◈ জামায়াত হিন্দুদের জামাই আদরে রাখবে, একটা হিন্দুরও ভারতে যাওয়া লাগবে না : জামায়াত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী (ভিডিও) ◈ মার্চে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের ৩৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ  ◈ বিশ্বকাপ থে‌কে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়া ক্রিকেটের জন্য বাজে দৃষ্টান্ত : এ‌বি ডি ভিলিয়ার্স ◈ ভোলা এলএনজির বিকল্প প্রস্তাব, সাশ্রয় হবে ৯ হাজার কোটি ◈ পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার বসাতে হাইকোর্টের হুঁশিয়ারি ◈ যুক্তরাজ্যে অতিদারিদ্রের সংখ্যা ৬৮ লাখ, ৫৩ শতাংশ বাংলাদেশি ◈ ভুয়া তথ্যে কানাডার ভিসার আবেদন: বস্তায় ভরে ৬০০ বাংলাদেশির পাসপোর্ট ফেরত

প্রকাশিত : ২০ মে, ২০১৯, ১১:৩৬ দুপুর
আপডেট : ২০ মে, ২০১৯, ১১:৩৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

লাখ টাকার জামদানি, স্বকীয়তার গৌরব আভিজাত্যের ছোঁয়া

নিউজ ডেস্ক :  সামনে ঈদ। কত রকমের কেনাকাটা! কিন্তু জামদানি তো জামদানিই। এর মতো স্পেশাল আর হয় না। বাঙালীর হারানো গৌরব মসলিনের উত্তরাধিকার জামদানি। নিজস্ব রুচি ও আভিজাত্যকে তুলে ধরছে। আজকের দিনে এ কাজে নানা প্রতিকূলতা। এর পরও পূর্বপুরুষের ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রেখেছেন রূপগঞ্জের কারিগররা। সারা বছর, হ্যাঁ, জামদানি পল্লীতে কাজ করেন। তাদের বুনা শাড়ি ঢাকায় আসে। আসে বটে। নকল আর সস্তার ভিড়ে প্রকৃত যা, খুঁজে নেয়া কঠিন হয়ে যায়।  জনকণ্ঠ।

এ অবস্থায় শৌখিন ক্রেতাদের জন্য দারুণ খবর এই যে, বংশ পরম্পরায় জামদানির কাজ করা শিল্পীরা রাজধানীর একটি মেলায় অংশগ্রহণ করেছেন। শিল্পকলা একাডেমিতে গত বৃহস্পতিবার থেকে চলছে বিশেষ এই জামদানি মেলা ও প্রদর্শনী। একাডেমির সহযোগিতায় বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন বিসিক-এর আয়োজন করেছে। চিত্রশালা প্লাজার নিচে বেশ কয়েকটি স্টল। যে যার মতো করে পসরা সাজিয়েছেন।

রবিবার সেখানে গিয়ে দেখা যায়, অল্প পরিসরে জামদানির ভাল একটি সংগ্রহ। শাড়িগুলো এমনভাবে মেলে ধরা হয়েছে যাতে জমিনটা সুন্দর দৃশ্যমান হয়। কাপড়ের গায়ে কেমন যেন মায়া লেগে আছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে কোন চাকচিক্য নেই। হালকা মিষ্টি রং। চোখে এক ধরনের আরাম দেয়। জমিনে কারিগরদের দক্ষতা ও সৃজনশীলতার বহির্প্রকাশ ঘটেছে। পাড় এবং আঁচলে করা হয়েছে আলাদা ডিজাইন। এভাবে শাড়িগুলোকে স্পেশাল করে তোলার প্রয়াস লক্ষ্য করা যায়। জামদানিগুলোতে বিভিন্ন লোকজ ফর্ম ব্যবহার করা হয়েছে। কটন ও হাফসিল্ক কাপড়ে ফুল পাতা মাছ পাখি ইত্যাদির ফর্ম। অনেকেই জানেন, এসব ফর্মের সঙ্গে মিল রেখে জামদানির নামকরণ করা হয়। এই যেমন জলপাড়, পান্নাহাজার, দুবলাজাল, সাবুরগা, বলিহার, শাপলাফুল, ময়ূরপ্যাঁচপাড়, বাঘনলি, কলমিলতা, চন্দ্রপাড়, ঝুমকা ইত্যাদি।

খ্যাতিমান জামদানি শিল্পী সবুজ মিয়া ছিলেন নিজের স্টলেই। তিনি বললেন, ‘কিছু ডিজাইন আমাদের বাপ-দাদার আমল থেকেই আছে। যেমন ধরেন আঙ্গুরলতা, করলা পাড়, ইঞ্চি পাড়, পানপাতা পাড়, বেলপাতা পাড়, হাঁসফুল, জুঁই ফুল, সন্দেশ ফুল, পোনা ফুল, হজপাতা তেড়ছি, ডালিম তেড়ছি- এইরকম আর কী।’ নিজের হাতে তৈরি কয়েকটি শাড়ি ভাঁজ খুলে এই প্রতিবেদককে দেখান তিনি। জড়িযুক্ত গর্জিয়াস একটি শাড়িতে জুঁই ফুল ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা। তার ভাষায়Ñ জুঁই ফুলের ঝুপ্পা। ঘন কাজ করা শাড়ির দাম ৬০ হাজার টাকা বলে জানান তিনি। আরেকটি শাড়িতে ছোট ছোট সূক্ষ্ম কাজ করা হয়েছে। নাম হাজার বুটি। দাম ২৫ হাজার টাকা। ভাল জামদানি বিবেচনায় এমন দাম খুব স্বাভাবিক।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়