শিরোনাম
◈ জাতীয় সংসদের ৮ম অধিবেশন উপলক্ষে ঢাকার যেসব এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করল ডিএমপি ◈ নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতায় সমান সুযোগ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের ◈ মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ভারত থেকে শেখ হাসিনাকে ফেরাতে হবে বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির মাধ্যমে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ◈ তারেক রহমানকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, নাহিদ ইসলামকে আইনি নোটিশ; জবাব দিতে ১০ দিনের সময় ◈ ২০২৭ সালে ঈদুল ফিতরে ৫ দিন, ঈদুল আজহায় ৬ দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা ◈ বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে মার্কিন কোম্পানিগুলোকে আহ্বান স্পিকারের ◈ দিল্লিতে তিনতলা ভবন ধসে নিহত ২, ধ্বংসস্তূপে আটকে থাকার আশঙ্কা বহুজনের ◈ এইচএসসি পরীক্ষায় এক-দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের বিশেষ পরীক্ষা ২ ও ৩ ডিসেম্বর, ফল ২৩ ডিসেম্বর ◈ মোংলা বন্দরকে ঘিরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর পরিকল্পনা সরকারের

প্রকাশিত : ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ০৩:০৯ দুপুর
আপডেট : ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ০৩:০৯ দুপুর

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

অধিনায়কত্বে স্বাধীনতাই পাননি শচিন, নব্বইয়ের দশককে বললেন ভারতীয় ক্রিকেটের ‘অন্ধকার সময়’ 

স্পোর্টস ডেস্ক: ভারতের অধিনায়কত্ব করেছেন, অথচ নিজের পছন্দমতো দলও গড়তে পারেননি! নব্বইয়ের দশকে ভারতীয় ক্রিকেটের নেতৃত্বের দায়িত্ব সামলানোর অভিজ্ঞতা নিয়ে এবার মুখ খুললেন শচিন টেন্ডুলকার। জানালেন, অধিনায়ক হিসেবে দল নির্বাচনের স্বাধীনতাও ছিল না তাঁর। সেই সময়টিকে ভারতীয় ক্রিকেটের ‘অন্ধকার সময়’ বলেও উল্লেখ করেছেন কিংবদন্তি এই ব্যাটার।

দুই দফায় ভারতের অধিনায়কত্ব করেছেন শচিন—১৯৯৬-৯৭ ও ১৯৯৯-২০০০ সালে। তবে নেতৃত্বে প্রত্যাশিত সাফল্য পাননি তিনি। এর পেছনে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) অসহযোগিতাকেও দায়ী করেছেন শচিন। তাঁর মতে, নব্বইয়ের দশকে বোর্ড এখনকার মতো পেশাদার ছিল না। --- আনন্দবাজার

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে নিজের অধিনায়কত্ব নিয়ে কথা বলেন শচিন। এক ভক্তের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ভারতের অধিনায়ক হওয়া সব সময়ই গর্বের। কিন্তু আমি খুব বেশি স্বাধীনতা পাইনি। অধিনায়ক হিসেবে নিজের দল বেছে নেওয়ার স্বাধীনতাও ছিল না। বিসিসিআই এখন যতটা পেশাদার, নব্বইয়ের দশকে ততটা ছিল না। সেই সময় ভারতীয় ক্রিকেট একটা অন্ধকার সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল।’

শচিনের অধিনায়কত্বের শেষ দিকে ভারতীয় ক্রিকেটে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগও বড় সংকট তৈরি করেছিল। সেই বিতর্কিত সময়ের অভিজ্ঞতাই তাঁর এমন মন্তব্যের পেছনে কাজ করেছে।

অধিনায়ক হিসেবে ২৫টি টেস্টে ভারতের নেতৃত্ব দিয়ে জিতেছেন মাত্র চারটিতে। হেরেছেন ৯টি, ড্র হয়েছে ১২টি। ওয়ানডেতে ৭৩ ম্যাচে জয় ২৩টি, হার ৪৩টি। বাকি সাত ম্যাচের ফল হয়নি।

শচিনের প্রিয় অধিনায়ক কে—এমন প্রশ্নে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও মহেন্দ্র সিং ধোনির নাম নিয়েছেন তিনি। দুজনের মধ্যে কাউকে আলাদা করে বেছে নিতে চাননি। ১৯৯৭ সালে শচিনকে সরিয়ে অধিনায়ক করা হয়েছিল মোহাম্মদ আজহারউদ্দিনকে। ১৯৯৯ বিশ্বকাপের পর আবার দায়িত্ব পান শচিন। তবে এক বছরের মধ্যেই নেতৃত্ব ছেড়ে দেন তিনি। এরপর অধিনায়ক হন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর হাত ধরেই ভারতীয় ক্রিকেটে শুরু হয় নতুন অধ্যায়। পরে রাহুল দ্রাবিড় ও ধোনির নেতৃত্বেও সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখে ভারত।

  • সর্বশেষ