স্পোর্টস ডেস্ক: শেষ আট মিনিট পর্যন্ত গোলের দেখা পাননি লিওনেল মেসি। কিন্তু ম্যাচের ৮৩তম মিনিটে দুর্দান্ত এক গোলে বদলে দিলেন সব হিসাব। এর আগে তাঁর হেড থেকেই সমতাসূচক গোল করেন সতীর্থ। মেসির গোল ও অ্যাসিস্টে নিউ ইংল্যান্ড রেভোলুশনকে ২-১ গোলে হারিয়ে ২০২৭ কনক্যাকাফ চ্যাম্পিয়ন্স কাপে জায়গা নিশ্চিত করল ইন্টার মায়ামি।
মেজর লিগ সকারের ইস্টার্ন কনফারেন্সে দ্বিতীয় স্থান দখলের লড়াইয়ে এই জয় বেশ গুরুত্বপূর্ণ ছিল মায়ামির জন্য। ৩৩ ম্যাচে ৫৯ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে উঠে এসেছে দলটি। এক পয়েন্ট কম নিয়ে তিনে নেমে গেছে নিউ ইংল্যান্ড। নিয়মিত মৌসুমের আর মাত্র একটি ম্যাচ বাকি থাকায় এই জয় মায়ামির অবস্থান আরও শক্ত করেছে।
ম্যাচের শুরুতে অবশ্য আধিপত্য ছিল নিউ ইংল্যান্ডের। প্রথমার্ধে ছয়টি শট ও পাঁচটি কর্নার আদায় করে নেয় স্বাগতিকেরা। তবে বিরতির আগে গোলের দেখা পায়নি কোনো দল। ৫৩ মিনিটে ড্যানিয়েল গাজডাগের গোলে এগিয়ে যায় নিউ ইংল্যান্ড।
৬৪ মিনিটে সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল মায়ামি। বক্সের মধ্যে দুজনকে কাটিয়ে মেসির নেওয়া বাঁ পায়ের শট ফিরিয়ে দেন গোলকিপার ম্যাট টার্নার। ফিরতি বলে হার্মান বের্তেরামের শটও গোললাইন থেকে ঠেকিয়ে দেন ব্রুকলিন রেইন্স।
তবে চার মিনিট পরই সমতা ফেরায় মায়ামি। বক্সের বাইরে থেকে তেলাস্কো সেগোভিয়ার চিপে বল পেয়ে হেডে সতীর্থ বের্তেরামের জন্য বল বাড়ান মেসি। সেই বলেই হেড করে জালে পাঠান আর্জেন্টাইন বংশোদ্ভূত মেক্সিকান ফরোয়ার্ড।
৮৩ মিনিটে নিজের গোলেই মায়ামিকে এগিয়ে দেন মেসি। প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে তিন প্রতিপক্ষকে কাটিয়ে এগিয়ে যান তিনি। বক্সের কাছে সেগোভিয়ার বুদ্ধিদীপ্ত সহায়তায় বল পেয়ে দুই ডিফেন্ডারের মাঝখান দিয়ে নিচু শটে গোলকিপারকে পরাস্ত করেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
শেষ দিকে অবশ্য আবারও বিপদে পড়েছিল মায়ামি। ৮৭ মিনিটে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালেই হেড করেন ইয়ান ফ্রে। তবে ভিডিও পর্যালোচনার পর অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করেন রেফারি। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে মায়ামি।
লিগে ২৬ গোল নিয়ে গোলদাতাদের তালিকায় শীর্ষে মেসি। অ্যাসিস্ট ১৬টি নিয়ে আছেন দ্বিতীয় স্থানে। তাঁর গোল না পাওয়া আগের দুই ম্যাচে জয় পায়নি মায়ামি। এবার গোল ও অ্যাসিস্টে দলকে জেতানোর পাশাপাশি চ্যাম্পিয়ন্স কাপের টিকিটও নিশ্চিত করলেন ৩৮ বছর বয়সী এই তারকা।