স্পোর্টস ডেস্ক : টাইব্রেকারে ভাগ্য ভালো ইন্দোনেশিয়ার। ফিফা আসিয়ান কাপের প্রথম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দলটি। ঘরের মাঠে টাইব্রেকারে থাইল্যান্ডকে ৪-২ গোলে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে তারা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ম্যাচ ছিল ১-১ সমতায়। অতিরিক্ত সময়েও দুই দল একটি করে গোল করলে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ২-২।
ফলে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয় পেনাল্টি শুটআউটে। সেখানে থাইল্যান্ডকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে ইন্দোনেশিয়া। খেলার শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিল স্বাগতিকেরা। প্রথমার্ধে তারা ৬০ শতাংশেরও বেশি সময় বল নিজেদের দখলে রাখে। -- বিডিপ্রতিদিন
তবে তিনটি শট নিয়েও জালের দেখা পায়নি ইন্দোনেশিয়া। অন্যদিকে থাইল্যান্ড নেয় মাত্র দুটি শট। গোলশূন্য অবস্থায় বিরতিতে যায় দুই দল। দ্বিতীয়ার্ধের ৮৪ মিনিটে অচলাবস্থা ভাঙে।
ইন্দোনেশিয়ার ডিন জেমসের নেওয়া শট থাই এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে জালে জড়ালে ১-০ তে এগিয়ে যায় স্বাগতিকেরা। কিন্তু মাত্র তিন মিনিট পর সমতা ফেরায় থাইল্যান্ড। সেকসান রাত্রের পাস থেকে গোল করেন ইকলাস সানরন। নির্ধারিত সময়ের খেলা ১-১ গোলে শেষ হয়। অতিরিক্ত সময়ের প্রথম ১৫ মিনিটে কোনো গোল হয়নি।
এরপর ১১১ মিনিটে ম্যাচে প্রথমবারের মতো লিড নেয় থাইল্যান্ড। অ্যানের সহায়তায় পিরাডল চামরাসামি লক্ষ্যভেদ করলে স্কোর হয় ২-১। তবে ১১৫ মিনিটে ইন্দোনেশিয়ার এলকান বাগোত গোল করে ২-২ করে ফেলেন।
এতে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। পেনাল্টি শুটআউটের প্রথম দুই শটে গোল করে উভয় দল। পরের দুটি শটেও লক্ষ্যভেদ করে ইন্দোনেশিয়া। কিন্তু থাইল্যান্ডের তৃতীয় শট বারে লেগে ফিরে আসে, আর চতুর্থ শটটি রুখে দেন অদেরো। এতেই আসিয়ান কাপের প্রথম আসরের চ্যাম্পিয়ন হয় ইন্দোনেশিয়া।