শিরোনাম
◈ অবকাঠামোগত কাজ শেষ হলেও কোনোটিতেই বসেনি যানবাহন চলন্ত অবস্থায় ওজন মাপার যন্ত্র ডব্লিউআইএম স্কেল ◈ সরকার বা দলের নাম ব্যবহার করে কেউ অপকর্ম করলে ছাড় পাবে না: মাহদী আমিন ◈ প্রবাসীরা ই-মেইলে অভিযোগ দিলেই সমাধান পাবেন ◈ স্টুডিওতে লুটপাটের পর ‍সালমান মুক্তাদির বললেন, ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, গ্রেট জব, বিএনপি জোস কাজ করছে’ ◈ ভুলের সুযোগে ইংল্যান্ডকে হারাল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন ◈ ঢাকার মিরপুরে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুরের কারণ কী? ◈ কুমিল্লায় কিশোর গ্যাং সন্দেহে আবারও আটক ২৫৪ ◈ বৃদ্ধাশ্রমে সা‌বেক ক্রিকেটার বি‌নোদ কাম্বলি, কেমন আছেন জানালেন নিজেই ◈ বেকারত্ব থেকে অনলাইন জুয়া, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাড়ছে অপরাধ ◈ ইউএনজিএ অধিবেশন শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৮ দুপুর
আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:০৮ দুপুর

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

প্রমাণিত, বড় শাস্তির মুখে ম্যানচেস্টার সিটি

স্পোর্টস ডেস্ক: আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে বড় শাস্তির মুখে ম্যানচেস্টার সিটি। প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে ১১৪টিতেই ইংলিশ জায়ান্টকে দোষী সাব্যস্ত করেছে স্বাধীন কমিশন। এখন অপেক্ষা শাস্তি ঘোষণার। সম্ভাব্য শাস্তির তালিকায় রয়েছে জরিমানা থেকে শুরু করে পয়েন্ট কর্তন, এমনকি আরও কঠোর ব্যবস্থাও। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে সিটি—এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, সিটির বিরুদ্ধে আনা ১১৫ অভিযোগের মধ্যে মাত্র একটিতে তারা দায়মুক্তি পেয়েছে। চার বছরের তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করা হয় ক্লাবটির বিরুদ্ধে।

তবে প্রিমিয়ার লিগের আইনি প্রক্রিয়া এখনো শেষ হয়নি বলে জানিয়েছে সিটি। দ্য অ্যাথলেটিককে দেওয়া এক বিবৃতিতে ক্লাবটির মুখপাত্র বলেন, ‘আইনি প্রক্রিয়া এখনো চলমান। গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু ধাপ সম্পন্ন হওয়া বাকি। পুরো বিষয়টি কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে রয়েছে।’

২০০৯ থেকে ২০১৮ সালের আর্থিক কর্মকাণ্ড ঘিরে সিটির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। ২০১৮ সালের নভেম্বরে জার্মান সংবাদমাধ্যম ডের স্পিগেলে ক্লাবটির বেশ কিছু ফাঁস হওয়া আর্থিক নথি প্রকাশের পর বিষয়টি নতুন মাত্রা পায়। অভিযোগের মধ্যে ছিল সঠিক আর্থিক তথ্য না দেওয়া, খেলোয়াড় ও কোচদের পারিশ্রমিকের পূর্ণাঙ্গ হিসাব গোপন করা এবং উয়েফার এফএফপি ও প্রিমিয়ার লিগের লাভ-ক্ষতি ও টেকসই নীতিমালা (পিএসআর) ভঙ্গ।

advertisement

সিটি অবশ্য শুরু থেকেই সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। ২০২৩ সালে অভিযোগ গঠনের পর ক্লাবটি জানিয়েছিল, অভিযোগে তারা ‘বিস্মিত’ এবং নিজেদের পক্ষে থাকা ‘খণ্ডনাতীত ও পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ’ স্বাধীন কমিশনের সামনে উপস্থাপনের সুযোগকে স্বাগত জানায়।

২০০৮ সালে আবু ধাবি ইউনাইটেড গ্রুপের শেখ মনসুরের মালিকানায় যাওয়ার পর ইংলিশ ফুটবলে সিটির আধিপত্য বেড়েছে। এই সময়ে তারা জিতেছে আটটি প্রিমিয়ার লিগ, চারটি এফএ কাপ, সাতটি লিগ কাপ ও একটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। এর মধ্যে ছয়টি বড় শিরোপাই এসেছে ক্লাবটির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ওঠার পর।

এর আগে ডের স্পিগেলের ফাঁস হওয়া নথির সূত্র ধরে ২০২০ সালে সিটিকে দুই বছরের জন্য ইউরোপীয় প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ করেছিল উয়েফা। সঙ্গে করা হয়েছিল তিন কোটি ইউরো জরিমানা। তবে পাঁচ মাস পর ক্রীড়া সালিসি আদালত (সিএএস) সেই নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে। আদালত জানিয়েছিল, কয়েকটি অভিযোগের ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়সীমা পার হয়ে গিয়েছিল এবং বাকি অভিযোগগুলো প্রমাণ করতে পারেনি উয়েফা।

এবার প্রিমিয়ার লিগের ১১৪টি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার খবর সামনে আসায় সিটির সামনে অপেক্ষা করছে আরও বড় আইনি লড়াই—আর শেষ পর্যন্ত কী শাস্তি হয়, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

  • সর্বশেষ