স্পোর্টস ডেস্ক : কেন তারা এ বার ইংল্যান্ডের সেরা ক্লাব হয়েছে তা আরও এক বার দেখাল আর্সেনাল। এফএ কাপজয়ী ম্যাঞ্চেস্টার সিটিকে হারাল প্রিমিয়ার লিগজয়ী দল। ৩-০ গোলে জিতল তারা। কমিউনিটি শিল্ড জিতে নিল প্রিমিয়ার লিগের চ্যাম্পিয়ন দল।
খেলা শুরুর বাঁশি বাজার ২৪ সেকেন্ড পরেই প্রথম গোল করে আর্সেনাল। লুইস স্কেলির ২৫ গজের পাস ধরে গোল করেন কালাফিয়োরি। ম্যান সিটির গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি ডোনারুম্মার কাছে কোনও সুযোগ ছিল না ধরার।
সেই ধাক্কা থেকে বেরাতে পারেনি সিটি। দুই প্রান্ত ধরে বার বার আক্রমণে উঠছিলেন মাদুয়েকে, ওডেগার্ডরা। ব্যস্ত থাকতে হচ্ছিল ডোনারুম্মাকে। অন্য দিকে ম্যান সিটি গোলের জন্য ভরসা করেছিলেন আর্লিং হালান্ডকে। তবে তাঁকে নজরে রেখেছিল আর্সেনালের রক্ষণ।
২০ মিনিটের মাথায় ভাল সুযোগ পান ফিল ফডেন। কিন্তু তাঁর শট বাঁচিয়ে দেন আর্সেনালের স্প্যানিশ গোলরক্ষক ডেভিড রায়া। সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হত সিটিকে। ২৮ মিনিটের মাথায় ব্যবধান বাড়ায় আর্সেনাল। বক্সের মধ্যে বল বাড়ান ওডেগার্ড। হেডে বল গোলের কাছে পাঠান জ়োলিস। অরক্ষিত অবস্থায় ছিলেন কাই হাভের্ৎজ়। যদিও তাঁর হেডে বেশি জোর ছিল না। কিন্তু ডোনারুম্মার হাতের ফাঁক দিয়ে বল জালে জড়িয়ে যায়।
প্রথমার্ধে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল ম্যাঞ্চেস্টার সিটি। ৩৬ মিনিটের মাথায় জেরেমি ডোকুর পাস ধরে শট মারেন হালান্ড। কিন্তু গোল করতে পারেননি তিনি। বিরতির ঠিক আগে ৩-০ এগিয়ে যেতে পারত আর্সেনাল। হাভের্ৎজ়ের শট গোললাইন থেকে সেভ করেন গাভার্দিয়ল।
দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর তিন মিনিট পরেই অবশ্য আর্সেনালের হয়ে তৃতীয় গোল করেন অধিনায়ক ওডেগার্ড। জ়োলিসের কাছ থেকে বল পান তিনি। গাভার্দিয়ল ও ডোনারুম্মাকে নাচিয়ে গোল করেন তিনি। ওই পরিস্থিতি থেকে ম্যান সিটির ফেরা কঠিন ছিল। বাধ্য হয়ে হাতের সব তাস খেলে ফেলেন গুয়ার্দিওলা। রায়ান চেরকিকে নামিয়েও গোল আসেনি। ৮১ মিনিটের মাথায় সেমেনিয়োর শট ভাল বাঁচান রায়া। বার বার চেষ্টা করেও আর্সেনালের গোলের মুখ খোলা যায়নি। শেষ পর্যন্ত হেরেই মাঠ ছাড়তে হয় গুয়ার্দিওলার দলকে।
গোটা ম্যাচে অবশ্য পরিসংখ্যানে এগিয়ে সিটি। তাদের পাঁচটি শট গোলে ছিল। কিন্তু একটাও গোল হয়নি। আর্সেনাল গোলে চারটি শট মেরে তিনটি গোল করেছে। ৫৬ শতাংশ বলের দখল নিয়েও হারতে হয়েছে তাদের। গুয়ার্দিওলার অস্ত্র যে ক্রমশ ভোঁতা হয়ে যাচ্ছে, তা আরও এক বার বুঝিয়ে দিলেন মিকেল আর্তেতা।