শিরোনাম
◈ পাকিস্তানকে হা‌রি‌য়ে ত্রিদেশীয় সি‌রি‌জের ফাইনালে বাংলাদেশ নারী দল ◈ বিমসটেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে দিল্লি যাচ্ছেন না সালাহউদ্দিন আহমদ, যাচ্ছেন জ্যেষ্ঠ সচিবের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল ◈ কুমিল্লার স্কুলছাত্রী তাজমীন ধর্ষণ-হত্যা: কক্সবাজার থেকে কথিত প্রেমিক রাজু আটক ◈ রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার জেরে ঢাকা-সৌদি ১০ ফ্লাইট বাতিল, বিপাকে হাজারো প্রবাসী বাংলাদেশি ◈ বয়স্ক ভাতা আনতে গিয়ে জানতে পারেন সরকারি খাতায় তিনি মৃত, ৯ বছর ধরে নিজেকে জীবিত প্রমাণের লড়াই কাশেমের ◈ সেঞ্চু‌রি না পে‌য়ে হতাশ শান্ত ও মুশফিক, আফগা‌নিস্তা‌নের বিরু‌দ্ধে চালকের আসনে বাংলাদেশ ◈ বিএনপিতে অপকর্মে জড়ালে ছাড় নয়, চাঁদাবাজি-দখলদারির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা: এমপিদের কড়া বার্তা প্রধানমন্ত্রীর ◈ জার্মান পর্যটকের চুরি হওয়া ল্যাপটপ উদ্ধার, ট্রেনে পাওয়া ব্যাগ নিয়ে নওগাঁ গিয়েছিলেন এক ব্যক্তি ◈ নানা পাটেকরের কীভাবে মৃত্যু হয়েছিল? ময়নাতদন্তে যা জানা গেল ◈ রিয়াদ বিমানবন্দরে ফের হামলা, যাত্রী টার্মিনালে আগুন; ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত ফ্লাইট স্থগিত

প্রকাশিত : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩৭ দুপুর
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

আমার ক‌্যা‌রিয়া‌রে  সর্বকালের সেরা ছি‌লেন শচীন টেন্ডুলকার: শো‌য়েব আখতার

স্পোর্টস ডেস্ক : ক্যারিয়ারের একটা সময়ে দ্রুততম বোলার হিসেবে ক্রিকেট বিশ্বে পরিচিত ছিলেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি ফাস্ট বোলার শোয়েব আখতার। নিজের সেরা সময়ে বিশ্বের দ্রুততম বোলার হওয়ার লড়াইয়ে পাকিস্তানের এই পেসার অস্ট্রেলিয়ার ব্রেট লি এবং নিউজিল্যান্ডের তারকা বোলার শেন বন্ডের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতেন।

সম্প্রীতি জনপ্রিয় পাকিস্তানি কমেডি ও টক শো ‘হাসনা মানা হ্যায়’-তে অতিথি হিসেবে এসেছিলেন শোয়েব আখতার। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে সর্বকালের সেরা ব্যাটার কে তা নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত হয়।

এই পেসার ভারতের কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের নাম নিতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেননি। শোয়েব জানান, তিনি ভিভ রিচার্ডসকে খেলতে দেখেননি, তবে ইমরান খান ও ওয়াসিম আকরামের মতো মহান ক্রিকেটারদের খেলা দেখেছেন। তিনি আরও বলেন, মার্টিন ক্রো ও রিকি পন্টিং তার পছন্দের খেলোয়াড় হলেও, ব্যাটিংয়ের ক্ষেত্রে সর্বকালের সেরা হলেন শচীন টেন্ডুলকারই।অনুষ্ঠানের সঞ্চালক তাকে সেই বিখ্যাত কলকাতা টেস্ট নিয়েও প্রশ্ন করেন, যেখানে তিনি পরপর বলে রাহুল দ্রাবিড় ও শচীনকে আউট করেছিলেন।

শোয়েব বলেন, আগের রাতেই আমি সাকলাইনকে বলেছিলাম আমি তাকে আউট করব। শচীন সর্বকালের সেরা ব্যাটার, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। ব্যস, এটুকুই। ৫১ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার আরও বলেন, মিডিয়া এমন একটা ধারণা তৈরি করেছিল,  শচীন আমাকে ভয় পেতেন।

Advertisement

আসলে তেমন কিছুই ছিল না। আজও আমি জোর দিয়ে বলতে পারি, তিনি অত্যন্ত বড় মাপের খেলোয়াড় ছিলেন। আমার মনে হয়েছিল, কলকাতার সেই ইনিংসে ব্যাট করার জন্য তিনি যথেষ্ট প্রস্তুত ছিলেন না। ভারতীয় ব্যাটাররা আমার গতির সঙ্গে অভ্যস্ত ছিলেন না। সেই ইনিংসে টেন্ডুলকার বোল্ড হয়েছিলেন এবং পরের ইনিংসে রান-আউট হন।

সেই রান-আউটটি ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল। অনেকেরই ধারণা ছিল,বোলার ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যাটারের পথে বাধা সৃষ্টি করেছিলেন। ওই উইকেট নিয়ে ক্ষুব্ধ দর্শকরা মাঠে বোতল ও অন্যান্য বস্তু ছুড়তে শুরু করেন। শেষ দিনের খেলা হয়েছিল দর্শকশূন্য ইডেন গার্ডেন্সে এবং শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান ম্যাচটি জিতে নেয়। সেই ঘটনার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে ‘রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস’ খ্যাত এই বোলার বলেন, পাথর ছোড়া হয়েছিল এবং ব্যাপক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছিল। এরপর ম্যাচ শেষে আমরা কলকাতার একটি বিখ্যাত হোটেলে ছিলাম এবং আমাদের পুরো দল পার্টি করছিল।

শচীন বনাম শোয়েব দ্বৈরথের সামগ্রিক চিত্র

১৯৯৯ সালে আউট হওয়ার পর, পরবর্তী সময়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভারতীয় এই ব্যাটার ডানহাতি পেসারের ওপর আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন। ২০০৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে আখতারের বলে টেন্ডুলকারের মারা ‘আপার-কাট’ শটটি বিশাল ছক্কায় পরিণত হয়েছিল, যা পরবর্তীতে একটি আইকনিক শট হিসেবে পরিচিতি পায়।

২০০৬ সালের সফরে পাকিস্তানের এই তারকা বোলার একটি শর্ট বলের সাহায্যে ভারতের সাবেক অধিনায়ককে আউট করেছিলেন। টেস্ট ক্রিকেটে ওই ব্যাটার ৭৯ রান করেছেন এবং দুবার আউট হয়েছেন; অন্যদিকে ওয়ানডে ফরম্যাটে শচীন টেন্ডুলকার ১৩৮ রান সংগ্রহ করেছেন এবং চারবার ওই পাকিস্তানি পেসারের শিকার হয়েছেন। 

শোয়েব আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলেছিলেন এবং সেখানে তাদের মধ্যকার একমাত্র মুখোমুখি লড়াইয়ে তিনি ওই ভারতীয় ক্রিকেটারকে আউট করেছিলেন।

  • সর্বশেষ