স্পোর্টস ডেস্ক : ওপেনিংয়ে তানজীদ হাসান তামিম-সাইফ হাসান ও শেষে ইয়াসির আলী-মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের অসাধারণ ব্যাটিং এবং পরে শেখ মেহেদী হাসান ও রিশাদ আলীর দুর্দান্ত বোলিংয়ে জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-১ এ সমতা ফেরালো বাংলাদেশ। ব্যাট হাতে ৩১ এবং বল হাতে ১ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার গিয়েছে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেটে ১৮৬ রানের সংগ্রহ বাংলাদেশের। যেখানে তামিমের ব্যাটে সর্বোচ্চ ৫৮ রান এবং সাইফ করেছেন ৫৫ রান। শেষদিকে সাইফউদ্দিনের ১০ ৩১ রানের অপরাজিত ক্যামিওর সাথে ইয়াসির আলি রাব্বির ১১ বলে ২২ রান। জবাবে জিম্বাবুয়ে থেমেছে ১৫২ রানে। --- ডেইলি ক্রিকেট
বাংলাদেশের দেওয়া ১৮৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বিধ্বংসী শুরু করলেও একটু পরেই নিভে যায় জিম্বাবুয়ে। চার মেরে শুরু করা ইনিংসে ১৫ রানেই প্রথম উইকেট হারায় সিকান্দার রাজার দল। ৪ রান করে আউট হন ওপেনার মারুমানি। দলীয় স্কোরে আর চার রান যোগ হতেই ব্যক্তিগত ১১ রান করে আউট হন রাএক ওপেনার ব্রায়ান বেনেট। মাত্র ৪ রান করে সাজঘরে ফিরেন মায়ার্স।
মাত্র ২১ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া জিম্বাবুয়েকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন সিকান্দার রাজা ও শুম্বা।তবে চেষ্টা চালালেও ২৮ রানের বেশি করতে পারেননি রাজা। শুম্বাও আউট হন ১৯ রান করে। মাদান্দে ১২ করেই আউট হন মেহেদী হাসানের বলে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান করা রায়ান বার্লো আউট হন ২৯ রান করে।
মুসেকিওয়া ১১ রান করে আউট হলে জয়ের আশা প্রায় শেষ হয়ে যায় জিম্বাবুয়ের। তবে শেষ চেষ্টা চালান আজকে বল হাতে চরম ব্যর্থ ব্র্যাড এভান্স। তবে ১৪ বলে ২৫ রান করে এভান্স আউট হলে জিম্বাউয়ের জয়ের কফিনে শেষ পেরেকটিও ঠুকে দেয় সাইফউদ্দিন। শেষে রিশাদ হাসানের বলে মুজারাবানি আউট হলে ১৫২রানেই অল আউট হয় জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের হয়ে রিশাদ হাসান ৪টি এবং শেখ মেহেদী ৩টি উইকেট শিকার করেন।
এদিকে, আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবুয়ের ক্যাচ মিসের মিছিলে শুরুতে দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসানের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে এবং শেষের দিকে ইয়াসির আলী রাব্বি ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের তান্ডবে ১৮৬ রান সংগ্রহ করে টাইগাররা।