বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে ২৯ মিনিটে জাপানকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন এই মিডফিল্ডার। একক নৈপুণ্যে ব্রাজিলের রক্ষণভাগ ভেঙে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তাঁর দুর্দান্ত কোণাকুণি শটে কোনো সুযোগই পাননি গোলরক্ষক আলিসন।
ম্যাচের শুরু থেকেই অবশ্য বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল ব্রাজিলের দখলে। প্রায় ৮২ শতাংশ সময় বল নিজেদের কাছে রেখেও জাপানের সুসংগঠিত রক্ষণভাগ ভাঙতে হিমশিম খেতে হয় সেলেসাওদের।
শুরুর দিকে লুকাস পাকেতার ফ্রি-কিক জাপানের গোলরক্ষক জিওন সুজুকি ঠিকমতো তালুবন্দী করতে না পারলেও দ্রুতই নিজের ভুল শুধরে বল নিয়ন্ত্রণে নেন। এরপর দানিলোর বাড়ানো বল থেকে ব্রুনো গিমারাইসের শট জাপানি ডিফেন্ডাররা ব্লক করে দেন।
এরপর মাতেউস কুনহা পড়ে যাওয়ার মুহূর্তেও বাঁ পায়ে দূরপাল্লার জোরালো শট নেন। তবে জিওন সুজুকি দারুণ সেভ করে ব্রাজিলকে গোলবঞ্চিত করেন। কর্নার থেকে ব্রুনো গিমারাইসের বিপজ্জনক বলও লক্ষ্যে রাখতে পারেনি ব্রাজিল।
এদিকে ম্যাচের প্রথম হলুদ কার্ড দেখেন ব্রাজিলের অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার কাসেমিরো। জুনিয়া ইতোকে বক্সের বাইরে ফাউল করায় তাকে সতর্ক করেন রেফারি। সেই ফ্রি-কিক থেকে জাপান সুযোগ তৈরি করলেও কাসেমিরোই হেড করে কর্নার থেকে আসা বল ক্লিয়ার করে বিপদমুক্ত করেন।
ব্রাজিলের টানা আক্রমণের মধ্যেই পাল্টা আক্রমণে বাজিমাত করে জাপান। ২৯ মিনিটে কাইশু সানো মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে একের পর এক ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সের বাইরে থেকে নিচু কোণাকুণি শটে বল জড়িয়ে দেন জালে। আলিসনের নাগালের বাইরে থাকা সেই গোলেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ব্লু সামুরাইরা।
স্কোর (২৯ মিনিট): ব্রাজিল ০-১ জাপান।
আজকের খেলাটি সরাসরি দেখতে চোখ রাখুন আমাদের এই থ্রেডে।