শিরোনাম
◈ খুচরা বিক্রেতাদের সার বিক্রি অব্যাহত রাখতে নির্দেশ সরকারের ◈ আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), দেশজুড়ে নানা আয়োজন ◈ মিয়ানমারে সহিংসতা-নির্যাতনে বিপর্যস্ত মানুষ, রোহিঙ্গাদের অবস্থা আরও ভয়াবহ: জাতিসংঘ ◈ ‘উপহার’ হিসেবে বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মী নেবে মালয়েশিয়া: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ◈ রংপুরে চার হত্যা: ‘ধর্ষণের আলামত’ নিয়ে ডোম-চিকিৎসকের বক্তব্যে ভিন্নতা ◈ বিড়ালের আঁচড়ের পর শিশুর ‘মিউ মিউ’ শব্দ, জানুন আসল ঘটনা ◈ মহানবীর আদর্শ অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি ◈ জামায়াতের মতাদর্শের বিষয়ে সতর্ক করলেন কওমি আলেমরা ◈ বিদিশা এরশাদ গ্রেপ্তার: প্রতারণা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত, গুলশান থেকে আটক ◈ কারখানা থেকে ক্লাসরুম, রোবট বিপ্লবে বদলে যাচ্ছে চীন

প্রকাশিত : ২৯ জুন, ২০২৬, ১১:২০ রাত
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সুদ ব্যবধান নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সিদ্ধান্ত

ব্যাংকঋণের সুদহার কমিয়ে আনতে ঋণ ও আমানতের সুদহারের ব্যবধান (স্প্রেড) আবারও সর্বোচ্চ ৪ শতাংশে বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

এখন থেকে ক্রেডিট কার্ড ও ভোক্তা ঋণ ছাড়া অন্য সব ধরনের ঋণের ক্ষেত্রে আমানত ও ঋণের গড় সুদহারের ব্যবধান ৪ শতাংশের বেশি রাখা যাবে না।

ব্যাংক খাতে ঋণ ও আমানতের গড় সুদের ব্যবধান বর্তমানে ৫ দশমিক ৭২ শতাংশ রয়েছে।
আজ সোমবার এসংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

সার্কুলারে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, সাম্প্রতিক সময়ে অনেক ব্যাংক আমানতের সুদহারের তুলনায় ঋণের সুদহার উল্লেখযোগ্য হারে বাড়িয়েছে। ফলে ঋণ ও আমানতের গড় সুদহারের ব্যবধান অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে, যা ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিল্প খাতের অর্থায়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

উৎপাদনশীল খাতে ঋণের সুদহার যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ব্যাংক খাতে ঋণ ও আমানতের গড় সুদহারের ব্যবধান ৫ দশমিক ৭২ শতাংশ। কোনো কোনো ব্যাংকে এই ব্যবধান ৭ থেকে ৯ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এর ফলে ঋণের ব্যয় বেড়ে নতুন বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বলেন, অনেক ব্যাংক আমানতে তুলনামূলক কম সুদ দিলেও ঋণের ক্ষেত্রে বেশি সুদ নিচ্ছে। আবার কোনো কোনো ব্যাংক কম সুদে আমানত সংগ্রহ করেও সেই অনুপাতে ঋণ বিতরণ করছে না। এসব কারণে স্প্রেডে আবার সীমা আরোপ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, কোনো ব্যাংক যদি গড়ে ৮ শতাংশ সুদে আমানত সংগ্রহ করে, তাহলে তারা সর্বোচ্চ ১২ শতাংশ সুদে ঋণ দিতে পারবে। এতে ধীরে ধীরে ঋণের সুদহার কমে আসবে এবং ঋণগ্রহীতাদের ব্যয়ও কমবে।

এর আগে ২০২৩ সালের নভেম্বরে বাজারভিত্তিক সুদহার ব্যবস্থা চালুর অংশ হিসেবে ঋণ ও আমানতের সুদহারের ব্যবধানের ওপর থাকা ৪ শতাংশের সীমা তুলে দেওয়া হয়েছিল। তখন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ কর্মসূচির আওতায় সুদহারকে বাজারভিত্তিক করার প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এ সীমা প্রত্যাহার করা হয়। তবে বর্তমানে সেই সীমা পুনর্বহাল করল বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতি–সংক্রান্ত অভ্যন্তরীণ কমিটিও সম্প্রতি স্প্রেড আবার সর্বোচ্চ ৪ শতাংশে সীমিত করার সুপারিশ করে। কমিটির মতে, উচ্চ খেলাপি ঋণ ও অতিরিক্ত সুদ ব্যবধানের কারণে ঋণের ব্যয় বেড়েছে। স্প্রেডে সীমা আরোপ করলে ঋণের সুদহার নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং উৎপাদনশীল খাতে অর্থায়ন সহজ হবে। উৎস: কালের কণ্ঠ।

 

  • সর্বশেষ