বিশ্বকাপ নকআউটে ইতিহাসের লড়াই, বিরতিতে গোলশূন্য কানাডা–দক্ষিণ আফ্রিকা
✖
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের প্রথম ম্যাচে ইতিহাস গড়ার লক্ষ্যে মুখোমুখি হয়েছে কানাডা ও দক্ষিণ আফ্রিকা। লস অ্যাঞ্জেলেসের সোফাই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। ফলে বিরতিতে স্কোরলাইন ০-০।
দুই দলের জন্যই এটি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে প্রথম ম্যাচ। এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকা তিনবার এবং কানাডা দুবার বিশ্বকাপ খেললেও কখনো গ্রুপ পর্ব পেরোতে পারেনি। এবার প্রথমবারের মতো নকআউটে উঠে নতুন ইতিহাস গড়েছে দুই দল। ফলে এই ম্যাচের বিজয়ী দলই প্রথমবারের মতো জায়গা করে নেবে শেষ ষোলোতে।
প্রথমার্ধে বল দখলে কিছুটা এগিয়ে ছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। ডিহাইড্রেশন ব্রেক পর্যন্ত তারা প্রায় ৬৫ শতাংশ সময় বল নিয়ন্ত্রণে রাখে। তবে আক্রমণে বেশি ধারালো ছিল কানাডা।
২২তম মিনিটে ডেরেক কর্নেলিয়াসের কাছ থেকে আসে কানাডার প্রথম বড় সুযোগ। কর্নেলিয়াসের হেড সরাসরি দক্ষিণ আফ্রিকার গোলরক্ষক রনওয়েন উইলিয়ামসের হাতে জমা পড়ে।
এরপর ৪৪তম মিনিটে গোলের খুব কাছাকাছি পৌঁছে যায় কানাডা। ময়জে বোম্বিটোর হেডে গোলরক্ষককে পরাস্ত করলেও গোললাইন থেকে বল ফিরিয়ে দেন দক্ষিণ আফ্রিকার ডিফেন্ডার অব্রে মোদিবা। একই আক্রমণে আরেকটি শটও প্রতিহত করেন উইলিয়ামস।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে পেনাল্টির জোরালো আবেদন তোলে কানাডা। লারিয়াকে ফাউল করা হয়েছে বলে অভিযোগ করলেও রেফারি এবং পরে ভিএআর সেই আবেদন নাকচ করে দেয়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বিরতির বাঁশি বাজার পর রেফারির কাছে গিয়ে প্রতিবাদ জানান কানাডার কোচ জেসি মার্শ।
ম্যাচের শুরুতে দুই কোচই একাদশে কিছু পরিবর্তন আনেন। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি থেকে ফিরলেও কানাডার তারকা অ্যালফনসো ডেভিসকে বেঞ্চে রেখেছেন মার্শ। অন্যদিকে নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার মিডফিল্ডে ফিরেছেন তেবোহো মোকোয়েনা।
প্রথমার্ধে গোল না হলেও ইতিহাস গড়ার এই লড়াইয়ে দ্বিতীয়ার্ধে আরও জমজমাট প্রতিদ্বন্দ্বিতার অপেক্ষায় ফুটবলপ্রেমীরা।