শিরোনাম
◈ খুচরা বিক্রেতাদের সার বিক্রি অব্যাহত রাখতে নির্দেশ সরকারের ◈ আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.), দেশজুড়ে নানা আয়োজন ◈ মিয়ানমারে সহিংসতা-নির্যাতনে বিপর্যস্ত মানুষ, রোহিঙ্গাদের অবস্থা আরও ভয়াবহ: জাতিসংঘ ◈ ‘উপহার’ হিসেবে বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মী নেবে মালয়েশিয়া: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ◈ রংপুরে চার হত্যা: ‘ধর্ষণের আলামত’ নিয়ে ডোম-চিকিৎসকের বক্তব্যে ভিন্নতা ◈ বিড়ালের আঁচড়ের পর শিশুর ‘মিউ মিউ’ শব্দ, জানুন আসল ঘটনা ◈ মহানবীর আদর্শ অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই: রাষ্ট্রপতি ◈ জামায়াতের মতাদর্শের বিষয়ে সতর্ক করলেন কওমি আলেমরা ◈ বিদিশা এরশাদ গ্রেপ্তার: প্রতারণা মামলায় সাজাপ্রাপ্ত, গুলশান থেকে আটক ◈ কারখানা থেকে ক্লাসরুম, রোবট বিপ্লবে বদলে যাচ্ছে চীন

প্রকাশিত : ২৯ জুন, ২০২৬, ১২:০৪ রাত
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চাহিদা ও দাম দুটোই কমেছে, ইউরোপে চাপে বাংলাদেশের পোশাক খাত

ইউরোপের বাজারে বড় ধাক্কা খেয়েছে দেশের তৈরি পোশাক খাত। চলতি বছরের প্রথম চার মাসে রফতানি কমেছে ১৯ শতাংশের বেশি। যেখানে চীনের প্রায় ৫ আর ভিয়েতনামের কমেছে ৭ শতাংশ। ইউরোস্ট্যাটের তথ্য বলছে, রফতানির পাশাপাশি কমেছে বাংলাদেশি পোশাকের গড় দামও।

একের পর এক বৈশ্বিক যুদ্ধাবস্থায় বিশ্বব্যাপী কমছে তৈরি পোশাকের চাহিদা। যার প্রভাব পড়েছে ইউরোপের বাজারেও। ২০২৬ সালের প্রথম চার মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের জোটটিতে পোশাক আমদানি কমেছে ১০ দশমিক ৪২ শতাংশ।

ইউরোস্ট্যাটের তথ্য বলছে, এসময় জোটটি আমদানি করেছে ২৭ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ইউরো মূল্যের পোশাক। যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৩১ বিলিয়ন ইউরো। এসময় পোশাকের গড় মূল্যও প্রতি কেজিতে ৫ দশমিক ২২ শতাংশ কমে নেমেছে ১৯ দশমিক ৪৪ ইউরোতে। যা আগে ছিল ২০ দশমিক ৫১ ইউরোতে।

এই সময়ে ইউরোপের বাজারে সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত জোটটিতে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি কমেছে ১৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ। যা প্রধান রফতানিকারক দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। রফতানি আয় নেমেছে ৭ দশমিক ৫৪ বিলিয়ন ইউরো থেকে ৬ দশমিক শূন্য ৮ বিলিয়ন ইউরোতে। শুধু এপ্রিল মাসের হিসাবেও রফতানি কমেছে সাড়ে ১৯ শতাংশ।

বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) বলছে, পরিমাণ হিসাবে টিকে থাকলেও পণ্যের দাম কমে যাওয়ায় রফতানি আয় কমে গেছে। বৈশ্বিক যুদ্ধে চাহিদা কমায় পোশাকের গড় একক মূল্য কমেছে ১০ দশমিক ৪৫ শতাংশ।
 
বিজিএমইএ’র পরিচালক ফয়সাল সামাদ বলেন, ইরান যুদ্ধের কারণে কিছুটা হলেও উদ্বেগ ও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। গত বছরই অনেক ক্রয়াদেশ দেয়া হলেও এই পরিস্থিতির কারণে কিছু ক্রেতা অর্ডার কার্যকরে পিছিয়ে গেছেন। তবে এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এক ধরনের সমঝোতা হওয়ায় আবারও ক্রেতারা অর্ডার দেয়া শুরু করবেন বলে আমরা আশা করছি।
 
কম দামে পণ্য বিক্রি করে বাজার ধরে রাখার কৌশল কাজে লাগিয়ে ইউরোপের বাজারে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে চীন। রফতানি কমেছে কেবল ৪ দশমিক ৭ শতাংশ। আর কম পরিমাণে হলেও তুলনামূলক উচ্চমূল্যের পণ্য রফতানি করে আয় ধরে রাখতে পেরেছে ভিয়েতনাম। রফতানি কমেছে দশমিক ৭ শতাংশ। উৎস: সময়নিউজটিভি।

  • সর্বশেষ