শিরোনাম
◈ বিরোধী দলের ওয়াকআউট পরিকল্পিত, আইন প্রণয়নে সহযোগিতা করছে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ অর্থনীতিতে গতি ফেরাতে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ, ১৭ ব্যাংক দেবে ৪১ হাজার কোটি ◈ আগস্টের ২৬ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ২২.৩ শতাংশ ◈ ‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই সৌদি যুবরাজকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি ◈ আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন দেখভালের দায়িত্বে ৩০ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপ ◈ এবার সংসদীয় কমিটি থেকেও বাদ পড়লেন গাজী নজরুল ইসলাম ◈ সংসদে বিল উত্থাপন : গুমের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড ◈ বাসসের এমডি ও প্রধান সম্পাদক হলেন কাদের গনি চৌধুরী ◈ গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি

প্রকাশিত : ২৮ জুন, ২০২৬, ০৮:৪৭ রাত
আপডেট : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নৌকা চালিয়ে শিক্ষকদের বেতন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জাতীয়করণ হচ্ছে তিন্দু বিদ্যালয়

বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম এলাকায় অবস্থিত ‘তিন্দু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়’ জাতীয়করণের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এর আগে এ বিষয়ে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বাজেট আলোচনায় শিক্ষামন্ত্রী এ ঘোষণা দেন।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান বলেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেন যে, এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বামং খিয়াং মিংলেন তার সহকর্মীদের বেতন জোগাতে নৌকা চালান। শুধু মার্চ-এপ্রিল মাসে নৌকা চালিয়ে আয় করেছেন ৪৯ হাজার টাকা। যার মধ্যে ৩০ হাজার টাকা দিয়েছেন সহকর্মীদের বেতন বাবদ। যেখানে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে একটি স্কুল টিকিয়ে রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ সেখানে প্রধান শিক্ষক অনেকের কাছে অনুপ্রেরণার গল্প। বিষয়টি নজরে আসার পর রাতেই প্রধানমন্ত্রী স্কুলটি জাতীয়করণের জন্য শিক্ষামন্ত্রীকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলেন।

বাজেট বক্তব্যের এক পর্যায়ে শিক্ষা মন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একটি নির্দেশ পাঠিয়েছেন, সেই থানচির তিন্দু এলাকার সেই স্কুলটিকে যেন জাতীয়করণ করা হয়। আজকে মহান সংসদে এ স্লিপটি পাঠিয়েছেন। আমি জানাতে চাই, স্কুলটি জাতীয়করণ করা হবে শিগগিরই।

২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় তিন্দু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বর্তমানে ৫৬ জন শিক্ষার্থী পড়লেও অধিকাংশ পরিবার দরিদ্র হওয়ায় নিয়মিত বেতন দিতে পারেন না। ফলে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন চালানো হয়ে পড়ে কঠিন। এই সংকট মোকাবিলায় ছুটির দিনগুলোতে প্রধান শিক্ষক বামং খিয়াং মিংলেন নিজেই ইঞ্জিনচালিত নৌকা চালান থানচি-তিন্দু–-রেমাক্রী নদীপথে। পর্যটক ও যাত্রী পরিবহন করে যা আয় হয়, তার বড় অংশই চলে যায় শিক্ষকদের বেতনে।

  • সর্বশেষ