শিরোনাম
◈ ককটেল বিস্ফোরণ: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ডিএমপি ◈ সরকারি চাকরিতে মামলা চললে পদোন্নতি নয়, দণ্ড শেষেও দুই বছর অপেক্ষা ◈ ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে তিন জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৬৫ ◈ জাতিসংঘ অধিবেশনে মোদি অনুপস্থিত কেন, ভারতের কূটনীতিতে কী বার্তা? ◈ নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় বাংলাদেশসহ ৭৭ দেশের ওয়াকআউট ◈ নভেম্বরের মাঝামাঝি হতে পারে এইচএসসির ফল প্রকাশ  ◈ মহেশখালীতে এলএনজি স্থানান্তর শুরু, দেশে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি ◈ দেশের সব ইউনিয়নের হাট-বাজারে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ সরকারের ◈ জরুরি নির্দেশনা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলাচলকারীদের জন্য ◈ গোল ক‌রে বন্দুক উদযাপনে লাল কার্ড, খেসারত দিলেন ইসরায়েলি ফরোয়ার্ড

প্রকাশিত : ২২ জুন, ২০২৬, ০২:২৬ রাত
আপডেট : ১৩ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

লুকাকু-ডি ব্রুইনার চাপেও অটুট ইরানি রক্ষণ

একের পর এক আক্রমণ করলো বেলজিয়াম। কিন্তু ইরানকে গোল দিতে পারলো না। বরং অফসাইডের কারণে গোল বাতিল না হলে ইরানই প্রথমার্ধে এগিয়ে থাকতে পারতো।

লস অ্যাঞ্জেলসের সোফি স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই বেলজিয়াম আক্রমণের ঝড় তোলে। প্রথম তিন মিনিটেই তারকা মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইনার নিখুঁত পাস থেকে সুযোগ পান রোমেলু লুকাকু। তবে ইরানের গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দ দ্রুত এগিয়ে এসে বিপদ সামাল দেন।

প্রথমার্ধে বেলজিয়াম বলের দখলে ছিল ৮০ শতাংশ সময়। তারা ৩৭৬টি পাস সম্পন্ন করে, যেখানে ইরানের পাসের সংখ্যা ছিল মাত্র ৯১। তবে পরিসংখ্যানের এই বিশাল ব্যবধান স্কোরবোর্ডে কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি।

ইরান কোচ আমির গালেনোয়ির দল রক্ষণভাগে অসাধারণ শৃঙ্খলা দেখিয়েছে। বেশিরভাগ সময় ছয় থেকে সাতজন খেলোয়াড় নিজেদের পেনাল্টি বক্সের ভেতরে অবস্থান করে বেলজিয়ামের আক্রমণ ঠেকানোর চেষ্টা করেন। প্রতিটি শট, ক্রস এবং পাসের সামনে নিজেদের উজাড় করে দেন ইরানি ফুটবলাররা।

advertisement

তবে ম্যাচের সবচেয়ে নাটকীয় মুহূর্ত আসে ২৫তম মিনিটে। একটি ফ্রি-কিক থেকে দুর্দান্ত পাস বাড়ান এহসান হাজিসাফি। সেই পাস ধরে মেহদি তারেমি চমৎকার ফিনিশিংয়ে বল জালে পাঠান। ইরানি সমর্থকরা উল্লাসে ফেটে পড়লেও ভিএআর পরীক্ষার পর অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করা হয়।

এই সতর্কবার্তার পরও বেলজিয়াম খেলার গতি বাড়াতে পারেনি। তারা ধীরগতিতে বল ঘুরিয়ে আক্রমণ সাজানোর চেষ্টা করে, কিন্তু ইরানের সংগঠিত রক্ষণভাগ বারবার সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়।

প্রথমার্ধের শেষদিকে ইউরি টিলেমান্সের দারুণ পাস থেকে সুযোগ পান ম্যাক্সিম ডি কুইপার। তবে তার ভলি শট অসাধারণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন বেইরানভান্দ, যা ছিল ম্যাচে তার চতুর্থ গুরুত্বপূর্ণ সেভ।

 

  • সর্বশেষ