শিরোনাম
◈ ইরানের ড্রোন ঠেকাতে হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের ‘লেজার অস্ত্র’ : নিউ ইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদন ◈ জাতিসংঘের প্রশাসনিক দায়িত্বে জাইমা রহমান, লিগ্যাল অফিসারের আসল কাজ কী? (ভিডিও) ◈ নিউইয়র্কে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজকে প্রবাসীদের কটূক্তি ও হেনস্তার অভিযোগ (ভিডিও) ◈ ককটেল বিস্ফোরণ: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ডিএমপি ◈ সরকারি চাকরিতে মামলা চললে পদোন্নতি নয়, দণ্ড শেষেও দুই বছর অপেক্ষা ◈ ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে তিন জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৬৫ ◈ জাতিসংঘ অধিবেশনে মোদি অনুপস্থিত কেন, ভারতের কূটনীতিতে কী বার্তা? ◈ নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় বাংলাদেশসহ ৭৭ দেশের ওয়াকআউট ◈ নভেম্বরের মাঝামাঝি হতে পারে এইচএসসির ফল প্রকাশ  ◈ মহেশখালীতে এলএনজি স্থানান্তর শুরু, দেশে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি

প্রকাশিত : ১৬ জুন, ২০২৬, ০২:১০ রাত
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৪০ বছর বয়সেও অবিশ্বাস্য ভোজিনিয়া, ইয়ামালদের রুখে দিয়ে ৯০ মিনিটেই ‘মিলিয়নিয়ার’

স্পেনের বিপক্ষে খেলতে নামার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইন্সটাগ্রামে ভোজিনিয়ার ফলোয়ার ছিল পঞ্চাশ হাজারেরও কম। তবে পরের ৯০ মিনিটেই বদলে যায় তার জীবন, অখ্যাত এক ফুটবলার থেকে হয়ে ওঠেন বিশ্ব ফুটবলের আলোচনার কেন্দ্র বিন্দু! যার প্রভাব পড়ে ইন্সটাগ্রামেও—এক লাখ নয়, এক লাফে মিলিয়ন পার!

স্পেনের মতো তারকাখচিত দলের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে তাকে নিয়ে খুব একটা মাতামাতিও ছিল না। কিন্তু ম্যাচ শেষে আলোটা পুরোপুরি নিজের দিকে টেনে নিলেন ভোজিনিয়া।

স্পেনের আক্রমণভাগে ছিল একের পর এক তারকা। তবু তাদের সব আলো যেন নিভে গেল কেপ ভার্দের গোলপোস্টের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এই মানুষের কাছে। ম্যাচজুড়ে অন্তত সাতটি নিশ্চিত গোল ঠেকিয়েছেন তিনি। শুধু সেভই নয়, অসাধারণ পজিশনিং, নিখুঁত সিদ্ধান্ত আর অবিশ্বাস্য উপস্থিত বুদ্ধিতে স্পেনের ফরোয়ার্ডদের জন্য যেন এক ইঞ্চি জায়গাও খালি রাখেননি।

ভোজিনিয়ার সেই দেয়াল ভাঙতেই একপর্যায়ে লামিনে ইয়ামালকে মাঠে নামাতে বাধ্য হন স্পেন কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। পরিকল্পনা ছিল তরুণ এই তারকাকে বিশ্রাম দেওয়ার। কিন্তু গোলের খোঁজে শেষ পর্যন্ত তাকেই ডাকতে হয়। তবু লাভ হয়নি। ১৮ বছরের ইয়ামালও ভোজিনিয়ার সামনে ছিলেন অসহায়।

advertisement

অবশ্য বয়সের হিসাবে ইয়ামাল তার সন্তানের বয়সীই হতে পারতেন। ম্যাচে বদলি নামার সময় ইয়ামালের বয়স ছিল ১৮ বছর ৩৪২ দিন, আর ভোজিনিয়ার ৪০ বছর ২২ দিন। দুজনের বয়সের পার্থক্য ২১ বছর ৪৫ দিন—বিশ্বকাপ ইতিহাসে একই ম্যাচে মুখোমুখি হওয়া দুই প্রতিপক্ষ ফুটবলারের মধ্যে যা সর্বোচ্চ।

মজার ব্যাপার হলো, ভোজিনিয়া ইয়ামালের বাবার চেয়েও প্রায় দুই বছরের বড়! পরিসংখ্যানও ভোজিনিয়ার অসাধারণত্বের সাক্ষ্য দিচ্ছে। ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বকাপে ৪০ বা তার বেশি বয়সী কোনো গোলরক্ষক এক ম্যাচে তার চেয়ে বেশি সেভ করেছেন মাত্র একজন। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে নিজের ৪১তম জন্মদিনে ব্রাজিলের বিপক্ষে উত্তর আয়ারল্যান্ডের কিংবদন্তি প্যাট জেনিংস করেছিলেন ১০টি সেভ।

ভোজিনিয়া অবশ্য শুধু সেভেই থেমে থাকেননি। ম্যাচে তার পাস সফলতার হার ছিল ৬৯ শতাংশ। ৪২টি পাসের ২৯টিই পৌঁছেছে সতীর্থদের কাছে। লং বলের সাফল্যের হার ছিল ৪৩ শতাংশ। করেছেন ৩টি ডাইভিং সেভ এবং বক্সের ভেতর থেকে ৬টি সেভ।

শেষ বাঁশি বাজার পর আবেগ আর ধরে রাখতে পারেননি তিনি। হাঁটু গেড়ে বসে কেঁদেছেন। কেঁদেছেন সতীর্থদের বুকে মুখ লুকিয়ে। সেই কান্না দেখে আবেগাপ্লুত হয়েছেন দর্শকরাও।

 

  • সর্বশেষ