শিরোনাম
◈ ইরানে আরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নির্মাণ ও স্থাপনের কাজ পুরোদমে চলছে ◈ দুই ক্রিকেটারের সঙ্গে কোচ গম্ভীরের ব্যবহার নিয়ে মুখ খুললেন প্রাক্তন তারকা ◈ নেপালে পাহাড়ি ঢলে নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক, তালিকায় নেই কোনো বাংলাদেশি ◈ জ্বালানি সংকটে শিল্পকারখানায় সৌরবিদ্যুতের দিকে ঝুঁকছেন উদ্যোক্তারা, উৎপাদনক্ষমতা ছাড়িয়েছে ৬০০ মেগাওয়াট ◈ পোশাকের বৈশ্বিক বাজার বদলাচ্ছে, তাল মেলাতে পারছে না বাংলাদেশ ◈ জাতীয় কবি কাজী নজরুলের মৃত্যুবার্ষিকী আজ ◈ দুদিন পরেই বিরল চন্দ্রগ্রহণ, দেখা যাবে যেসব অঞ্চলে ◈ স্কুলশিক্ষার্থী অন্তঃসত্ত্বা, বিএনপি নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলা ◈ মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ ◈ নেপালে আকস্মিক বন্যায় ভূমিধসে নিহত অন্তত ১৬০, নিখোঁজ ৮ শতাধিক

প্রকাশিত : ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৫৫ দুপুর
আপডেট : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

ডোপিংয়ে ‘ক্যাটেগরি এ’-তে ভারত, ভাবমূর্তিতে ধাক্কা, বাড়লো আন্তর্জাতিক নজরদারি

স্পোর্টস ডেস্ক : বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ডোপ-অপরাধী ক্রীড়াবিদদের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছিল ভারতের নাম। আর এবার আরও বড়সড় ধাক্কা ভারতের ভাবমূর্তিতে। অ্যাথলেটিক্স ইন্টিগ্রিটি ইউনিট (এআইইউ)-এর তালিকায় ভারতের নাম উঠে এল ‘ক্যাটেগরি এ’-তে। আন্তর্জাতিক অ্যাথলেটিক্সে এটি ডোপিংয়ের জন্য অন্যতম সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ বিভাগ। সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে কার্যকর হওয়া এই সিদ্ধান্তের ফলে ভারতের অ্যাথলেটিক্স এখন বিশ্ব অ্যাথলেটিক্সের কড়া নজরদারির আওতায়।

এআইইউ’র বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরেই ডোপ-অপরাধী দেশের তালিকার প্রথম সারিতে রয়েছে ভারতের নাম (Doping in India)। গত বছরের ডিসেম্বরে বিশ্ব অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সির বার্ষিক রিপোর্টেও ডোপ-অপরাধী দেশের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছিল ভারতের নাম। তখনকার রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ভারতের ২৬০ অ্যাথলিটের শরীরে নিষিদ্ধ ওষুধের উপস্থিতির প্রমাণ মেলে। 

সেই সময় ভারতের ন্যাশনাল অ্যান্টি ডোপিং এজেন্সি (নাডা) মোট ৭,১১৩টি প্রস্রাব ও রক্তের নমুনা সংগ্রহ করেছিল। সেখানে ৩.৬ শতাংশ পজিটিভ পাওয়া যায়। এখানেই শেষ নয়, ২০২২ ও ২০২৩ সালেও ক্রীড়াবিদদের ডোপিং পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি ‘পজিটিভ’ রিপোর্ট এসেছিল ভারত থেকে।

নাডা এই পরীক্ষাগুলি পরিচালনা করলেও, প্রশ্ন উঠছে দেশের ক্রীড়া ব্যবস্থার কাঠামো ও নজরদারি নিয়ে। ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিকের পর থেকে অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া বিভিন্ন জাতীয় শিবিরের ব্যবস্থা করেছে। কিন্তু বর্তমানে শুধুমাত্র রিলে দলের জন্য এই ক্যাম্প পরিচালিত হচ্ছে। বাকি শীর্ষস্থানীয় অ্যাথলিটরা 

প্রশিক্ষণের জন্য বেসরকারি সংস্থা যেমন রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ, জেএসডব্লিউ গ্রুপ, টাটা গ্রুপ অথবা সরকারি বাহিনী যেমন সেনা ও নৌবাহিনীর উপর নির্ভর করছেন। সুতরাং এদেশে অ্যান্টি ডোপিং কাঠামো নিয়ে যথেষ্ট সংশয় তৈরি হয়েছে। ফলে পরিস্থিতি সামাল দিতে কঠোর নজরদারি অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।

  • সর্বশেষ