শিরোনাম
◈ আচরণবিধি চূড়ান্ত, ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি ◈ ১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন যেভাবে হয়েছিল ◈ উদ্যোক্তা হতে তরুণদের জন্য সহজ ঋণ, জামানত ছাড়াই মিলবে ১০ লাখ টাকা ◈ কলম্বিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২২৪, এখনও চলছে খোঁজ ◈ আমরা সবাই বাংলাদেশের অধিবাসী, কেউ আদিবাসী নই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সাভারে ভবন ঘিরে রেখেছে সিটিটিসি, যা জানাল পুলিশ (ভিডিও) ◈ দিল্লিতে মোদির সঙ্গে বৈঠকে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার ◈ রাষ্ট্রপতি ভোটের বৈঠক আহ্বান করলেন সিইসি ◈ আরেক দফা বাড়লো তেলের দাম ◈ সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি ঠেকাতে বায়োমেট্রিকসহ ১২ দফা নির্দেশনা

প্রকাশিত : ০৬ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:৩৯ সকাল
আপডেট : ০৯ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘ক্ষমতার লড়াইয়ে ব্যস্ত সবাই, ভুক্তভোগী শুধু খেলোয়াড়রা’ : সাকিব আল হাসান

দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রাণ ধরা হয় ঢাকা প্রিমিয়ার লিগকে (ডিপিএল)। তবে বোর্ড ও ক্লাবগুলোর মধ্যকার দীর্ঘদিনের বিরোধে বর্তমানে স্থবির হয়ে আছে এই লিগ। ক্রিকেটের এই অচলাবস্থা নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন সাবেক অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। দ্য ডেইলি স্টারের সঙ্গে এক একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, ক্রিকেট প্রশাসনে এখন কেবল 'ক্ষমতা দখলের লড়াই' চলছে, যেখানে খেলোয়াড়দের ব্যবহার করা হচ্ছে দাবার ঘুঁটি হিসেবে।

যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত এই অলরাউন্ডার দেশের ক্রিকেটের বর্তমান হ-য-ব-র-ল অবস্থা নিয়ে নিজের ক্ষোভ, হতাশা প্রকাশ করেছেন। সাকিব মনে করেন, ক্লাবগুলোকে লিগে ফেরাতে না পারাটা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বড় ব্যর্থতা।

সাকিব বলেন, ‘একটা জিনিস আমি বুঝি, এখানে একমাত্র ভুক্তভোগী হলো খেলোয়াড়রা, অন্য কেউ সাফার করছে না। খেলোয়াড়দের কষ্টটা কারো বোঝার ইচ্ছা আছে বলে আমার মনে হয় না। সবাই আসলে যার যার ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ে ব্যস্ত এবং খেলোয়াড়দের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।’

লিগ বন্ধ থাকায় খেলোয়াড়দের অসহায়ত্বের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘ক্লাব যদি খেলতে না চায়, বিসিবি কী করবে? বিসিবি তাদের ম্যানেজ করতে পারছে না, এটা বিসিবির ব্যর্থতা। খেলোয়াড়দের আসলে তো কিছু করার নাই। ধরেন আমি ক্লাবের মালিক, আমি বললাম খেলব না—এখন আপনি কী করবেন? আপনি বিসিবি হলে বড়জোর অনুরোধ করবেন। যারাই যেটা করছে, তারা ক্ষমতা ধরার জন্য করছে। এর বাইরে তো কিছু না।’

২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে ডিপিএল না হওয়ার প্রভাব কতটা সুদূরপ্রসারী হতে পারে—এমন প্রশ্নে সাকিবের উত্তর ছিল বেশ বাস্তববাদী। তিনি মনে করেন, প্রস্তুতির চেয়েও বড় সংকট খেলোয়াড়দের ব্যক্তিজীবনে। সাকিব বলেন, '১৫টি ম্যাচ খেলা একজন খেলোয়াড়ের অভিজ্ঞতার জন্য অনেক বড় বিষয়। ঢাকা লিগ আমাদের বিশ্বকাপ প্রস্তুতিতে প্রভাব ফেলবে কি ফেলবে না তার চেয়ে বড় হলো প্রতিটা খেলোয়াড়ের জীবনে প্রভাব পড়ছে। এটা সব থেকে বড়। খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত ও আর্থিক জীবনের ওপর এর প্রভাব।'

বিসিবি ও ক্লাবগুলোর বর্তমান সম্পর্কের তিক্ততা নিরসনে খুব একটা আশার আলো দেখছেন না এই বাঁহাতি অলরাউন্ডার। তার ভাষায়, ‘আসলে এক হাতে তো তালি বাজে না, সব দিক থেকেই হচ্ছে। খেলা শুরুর আন্তরিকতা না থাকলে আমি লিগ হওয়ার সুযোগ দেখি না। এখন সম্পর্কের জায়গা এমন অবস্থায় এসেছে যে মনে হয় না সহজ পথে কিছু হবে। আইনি পথে যদি হয়।’

দেশের ক্রিকেটের বর্তমান সংকট, রাজনীতিতে অবস্থান এবং তার দেশের ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন সাকিব। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়