শিরোনাম
◈ আসিয়ান কাপ থেকে আগেই বাংলা‌দে‌শের বিদায়, এবার ইন্দোনেশিয়া ম্যাচে সান্ত্বনার লড়াই  ◈ অভিবাসীদের তৃতীয় দেশে পাঠাতে পারবে ট্রাম্প প্রশাসন, সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি ◈ গঙ্গা পানি চুক্তি কারিগরি আলোচনা চলছে: ভারত ◈ মিরপুরে ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযানে সংঘর্ষ, তিনটি গাড়িতে আগুন (ভিডিও) ◈ অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজির ঘাটতি নেই, আসছে ১৯ কার্গো: পেট্রোবাংলা ◈ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির সুযোগ কাউকে দেওয়া হবে না: চিফ হুইপ ◈ কৃষি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ও জনসেবায় ড্রোনে এগোচ্ছে ভারত, উচ্চ দাম ও জটিলতায় পিছিয়ে বাংলাদেশ! ◈ রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ৪০১ জন গ্রেপ্তার, অস্ত্র-মাদক উদ্ধার ◈ কী লাগবে টিসিবির কার্ড পেতে, কারা পাবেন ◈ বাড়ি ফেরার পথে স্কুলশিক্ষিকাকে জোর করে অটোরিকশায় তোলার চেষ্টা, শিক্ষার্থী-স্থানীয়দের প্রতিরোধ

প্রকাশিত : ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০১:২৯ দুপুর
আপডেট : ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০১:২৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অভিবাসীদের তৃতীয় দেশে পাঠাতে পারবে ট্রাম্প প্রশাসন, সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি

অভিবাসীদের নিজ দেশের বদলে অন্য দেশে পাঠানোর কার্যক্রম আবার শুরু করতে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনকে আপাতত অনুমতি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দেশটির বিচার বিভাগের জরুরি আবেদন মঞ্জুর করে আদালত এ আদেশ দেন।

একইসঙ্গে এ নীতির বৈধতা নিয়ে আগামী ডিসেম্বরে শুনানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট।

এর আগে বোস্টনের ফেডারেল বিচারক ব্রায়ান মারফি ট্রাম্প প্রশাসনের এ নীতিকে বেআইনি ঘোষণা করেছিলেন।

advertisement

রায়ে বলা হয়, কোনো অভিবাসীকে তৃতীয় দেশে পাঠানোর আগে তাকে সেই দেশের বিষয়ে জানাতে হবে এবং সেখানে নিপীড়ন বা নির্যাতনের আশঙ্কা থাকলে তা জানানোর সুযোগ দিতে হবে।
গত ১৮ সেপ্টেম্বর ফেডারেল আপিল আদালত মারফির রায়ের বেশির ভাগ অংশ বহাল রাখেন।

তবে সুপ্রিম কোর্ট এখন সেই রায় স্থগিত করেছেন। বিচারপতি সোনিয়া সোটোমায়র, এলেনা কাগান ও কেতানজি ব্রাউন জ্যাকসন এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন।
ট্রাম্প প্রশাসন বলছে, কোনো অভিবাসীকে তার নিজের দেশে ফেরত পাঠানো সম্ভব না হলে তাকে তৃতীয় দেশে পাঠানোর সুযোগ প্রয়োজন। বিশেষ করে কোনো দেশ তার নাগরিককে নিতে অস্বীকৃতি জানালে এ ব্যবস্থা কাজে আসে।

অন্যদিকে অভিবাসীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর অভিযোগ, এ নীতিতে এমন দেশেও মানুষকে পাঠানো হতে পারে, যেখানে তাদের কোনো সম্পর্ক নেই এবং তারা নির্যাতনের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।

মানবাধিকার সংগঠনগুলোর হিসাবে, গত বছর এ নীতি চালুর পর ২৫ হাজারের বেশি অভিবাসীকে ২৯টি তৃতীয় দেশে পাঠানো হয়েছে। তাদের বেশির ভাগকে মেক্সিকোতে পাঠানো হয়।

জাতিসংঘের একদল মানবাধিকার বিশেষজ্ঞও সোমবার যুক্তরাষ্ট্রকে এ ধরনের প্রত্যাবাসন বন্ধ করার আহ্বান জানান। তাদের আশঙ্কা, কিছু অভিবাসী তৃতীয় দেশে গিয়ে নিপীড়ন, নির্যাতন বা অন্য মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হতে পারেন।

 

  • সর্বশেষ