শিরোনাম
◈ সম্ভাব্য নাশকতার আশঙ্কায় দেশজুড়ে কড়া সতর্কতা ◈ কারাতে দক্ষতার প্রদর্শন, কাঠের তক্তা ভাঙলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ (ভিডিও) ◈ দেশের সব বন্দরে ২৪ ঘণ্টা সেবা চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বাংলাদেশি হিন্দুরা অনুপ্রবেশকারী নয়, তারা শরণার্থী: শুভেন্দু ◈ বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহ, আগামী সপ্তাহে আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের ৪৫ ব্যবসায়ী ◈ সম্পত্তি লিখে দিলেও থাকবে বাবা-মায়ের অধিকার, সম্পত্তি আইনে আসছে যুগান্তকারী সংশোধন ◈ কোনো ওষুধ নেই, নেই টিকাও! পৃথিবীর বুকে হাজির আরেক ভয়ংকর মহামারি? ◈ দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ◈ ৭৫ বছর পর সৌদিতে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ, ছয় মিনিট ঢেকে থাকবে সূর্য ◈ ইনফা‌ন্তি‌নোর উদ্দে‌শ্যে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ভুল ব্যক্তি ফিফার নেতৃত্ব দিচ্ছে, অবিলম্বে তার পদত্যাগ করা উচিত

প্রকাশিত : ১১ জুন, ২০২৬, ১১:৫০ রাত
আপডেট : ০১ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাজেটে বিনিয়োগের ইতিবাচক দিক থাকলেও বাস্তবায়নই বড় চ্যালেঞ্জ: মান্না

আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট প্রতিক্রিয়ায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট ঘোষণা হয়েছে। কিন্তু অর্থের জোগানের সুনির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা নেই। এক অর্থে, দিশাহীন সুবিশাল বাজেট ঘোষণার সেই পুরোনো পথেই হেঁটেছে সরকার। এই বাজেটে আশাবাদ আছে, তবে অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেই। প্রত্যক্ষ করের তুলনায় সাধারণ মানুষের ওপর পরোক্ষ করের বোঝা চাপিয়ে বাজেটের টাকার সংস্থান করা হবে। 

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, বিগত অর্থবছরগুলোতে কেন রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি, কেন খেলাপি ঋণ সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে, কেন বাজার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি– সেই পর্যালোচনা সরকার করেনি। বিশাল অঙ্কের ঘাটতি বাজেটের চাপ শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের ওপরই বর্তাবে। ঘাটতি মেটাতে ব্যাংক ঋণে নির্ভরতাও বেড়ে যাবে। মূল্যস্ফীতি বাড়বে, বাড়বে আয় বৈষম্য। 

তিনি আরও বলেন, এবারও বিনা প্রশ্নে কালো টাকা সাদা করার পুরোনো ধারা অব্যাহত রাখা হয়েছে। দেশের আবাসন খাত পুরোপুরি দুর্বৃত্তদের হাতে চলে যাবে। জমি এবং ফ্ল্যাটের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যেতে পারে। রাজস্ব-জিডিপি অনুপাতে ভারসাম্য, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা এবং খেলাপি ঋণ কমানোর ক্ষেত্রে বাজেটে স্পষ্ট ও কার্যকর দিকনির্দেশনা নেই। 

মান্না অভিযোগ করে বলেন, বাজার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ, বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতের দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি স্থান পায়নি বাজেটে। অর্থনৈতিক বাস্তবতা মূল্যায়ন না করে সরকার নির্বাচনী ইশতেহারকে সামনে রেখে সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ রেখেছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে দেখানোর প্রবণতা থেকে এবারের বাজেটও সরে আসতে পারেনি। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির কথা বলা হলেও সেই ব্যাপারে কার্যকর দিকনির্দেশনা নেই। 

তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে গতানুগতিক ধারা থেকে বের হয়ে আসার কথা বলা হলেও বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা নেই। প্রস্তাবিত বাজেট গত দুই বছরের সংকোচনমূলক নীতি থেকে সরে এসে প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে একটি সম্প্রসারণমূলক কাঠামো তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। বাজেটে বিনিয়োগকারীদের জন্য ইতিবাচক দিক রয়েছে, যা স্বচ্ছতা এবং দক্ষতার সঙ্গে বাস্তবায়ন জরুরি।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়