শিরোনাম
◈ ওয়াশিংটন–তেহরান ১৪ দফা সমঝোতা স্মারক প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্র ◈ ব্যাংকিং খাতে ফিরছে সুদিন! ◈ ভারতে পাচার ৬ বাংলাদেশি নারীকে ট্রাভেল পারমিটে ফেরত ◈ বাবা ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’, জন্ম ১৯৮১ সালে বলে ভাইরাল সেই জামায়াত এমপির বাবা এখনও জীবিত! ◈ ট্রাম্প-নেতানিয়াহুকে টার্গেট স্নাইপার-ড্রোন করে হামলার পরিকল্পনা, এফবিআইয়ের অভিযানে আটক ৫ ◈ বাংলাদেশি টাকার মান বেড়েছে ভারতীয় রুপির বিপরীতে ◈ সকালে সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর বকুনি খেয়ে বিকেলে সংসদে হাজির হলেন এমপি ◈ ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কৌশলগত বড় পরিবর্তন: ইন্দো-প্যাসিফিক নাম বাদ, নতুন করে ‘ইউএস প্যাসিফিক কমান্ড’ চালু করল পেন্টাগন ◈ হামের টিকাদানে গাফিলতির প্রমাণ মিললে ব্যবস্থা, হজের খরচ কমানো ও তিস্তায় নতুন ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১০ জুন, ২০২৩, ০৭:১৭ বিকাল
আপডেট : ১০ জুন, ২০২৩, ০৭:১৭ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কোনো রহস্যই রাজনীতিতে গ্রহণযোগ্য নয়

আর রাজী

আর রাজী, ফেসবুক থেকে: রাজনীতিতে রহস্যের কোনো স্থান থাকার কথা না। রাজনীতিকের রহস্যজনক হয়ে ওঠা অত্যন্ত সন্দেহজনক। রহস্যচ্ছলেও যদি কোনো রাজনীতিককে 'রহস্যপুরুষ' অভিহিত করা হয়- তারপরও তার আমৃত্যু দায় থাকে নিজেকে রহস্যমুক্ত করার। নইলে যাদের তিনি মাথা খেয়েছেন এবং অন্যান্য ভক্ষণযোগ্যরা অর্থাৎ ভক্তরা তার সন্দেহজনক রহস্যময়তাকে ভক্তিভরে গূঢ়চারীর গুণ হিসেবে প্রচার করতে পারে বা করে।
 
মনে রাখা দরকার, রাজনীতিতে নামার পর থেকে মৃত্যু অবধি রাজনীতিকদের একান্ত ব্যক্তিগত জীবন বলে কিছু থাকার সুযোগ নাই। আংশিক-গর্ভবতী হওয়া যেমন অসম্ভব তেমনি আংশিক-রাজনীতিক হওয়াও অসম্ভব। রাজনীতিক এইটা জেনেমেনেই রাজনীতিতে আসেন যে- তাঁকে সারাজীবন জনগণের সামনে একটা খোলা বই হিসেবেই থাকতে হবে।

কাউকে পা ধরে রাজনীতিতে নিয়ে আসা হয় না, কেউ কাউকে রাজনীতিতে নিয়োগ দেয় না। রাজনীতি যিনি করতে নামেন সেই রাজনীতিক তাঁর অবশিষ্ট মানবজীবনের সবটা মানুষের জন্য উৎসর্গ অর্থাৎ আত্মোৎসর্গ করার সর্বশ্রেষ্ঠ নীতি বা রাজ নীতি গ্রহণ করার অঘোষিত ঘোষণা দিয়েই রাজনীতিতে নামেন বলে ধরে নেওয়া হয়। 

এই দেশের রাজনীতিকরা খুবই রহস্যময়- বিশেষত তাদের ব্যক্তিগত জীবন ও আয়-রোজগার। অথচ ব্যক্তিগত জীবন ও তৎসংলগ্ন আয়-রোজগারটা সবচে বেশি আলোয় থাকার কথা। রাজনীতি থেকে যদি কেউ অবসরও নেন তাহলেও তাকে তার সকল কর্মকাণ্ড এবং অবশ্যই আয়-রোজগার পরিষ্কারভাবে প্রকাশ্যে রাখতে হয়। বর্তমান বা অতীতের রাজনৈতিক ভূমিকার কারণে কেউ তাকে কোনো আর্থিক ও/বা অনার্থিক সুবিধা দিচ্ছে কি না অর্থাৎ অতীতের কোনো প্রকারে দেনা শোধ করছে কি না- তা জানার অধিকার জনগণের রয়েছে- এইটা রাজনীতিকের জীবনের শুরুতেই স্বীকার করে নিতে হয়। ফ্রিবাইস (freebies) একজন রাজনীতিকরে  জীবনের জন্য দুর্গন্ধযুক্ত ক্ষত।

এই যে আমৃত্যু জনগণের, বিশেষত সংবাদ-মাধ্যমের আতশি কাচের নিচে নিজেকে রাখার অন্তর্গত চাপ ও দায় রাজনীতিকদের নিতে হয়- সে কারণে রাজনীতিকদের জীবন হয়ে উঠে দুরূহ কঠিন। এই কঠিন জীবন সাধনার কারণেই সর্বসাধারণের নমস্য হয়ে ওঠেন একজন অতিসাধারণ রাজনীতিকও। আর সাধনায় যারা চরম সাফল্য পান সেই সব রাজনীতিকরা হয়ে ওঠেন মানুষের দেবতা বা দেবতুল্য চরিত্র। এ হচ্ছে নীতিসমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠ নীতি বা রাজনীতি গ্রহণের অন্তর্কথা। 

আশা করি, একদিন এই দেশেও রহস্যহীন, জলের মতো স্বচ্ছ রাজনীতিক জন্ম নেবেন যাকে খোলা বইয়ের মতোই পড়তে পারবে সবাই। 

এসবি২

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়