শিরোনাম
◈ আইপিএলের দল রাজস্থান রয়্যালসের মালিকানা নিয়ে উঠলো বিতর্ক  ◈ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগ সংঘবদ্ধ হচ্ছে, গুজব ছড়িয়ে ছাত্রদল-শিবিরের মধ্যে দ্বন্দ্বের চেষ্টা ◈ চীন ও ভারতের ফুটবল প্রেমীরা বিশ্বকাপ দেখ‌তে পা‌বেন না! সম্প্রচার নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা  ◈ টানা ৫ দফা কমার পর দেশের বাজারে আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম ◈ টিকিটের জন্য পাঁচ কোটি টাকা চেয়েছিল, তৃণমূল ছাড়ার ঘোষণা সা‌বেক ক্রিকেটার ম‌নোজ তিওয়ারির ◈ পাকিস্তান সিরিজে টি‌কিট ছাড়াই খেলা দেখতে পারবে শিক্ষার্থীরা ◈ সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন তেল নিয়ে জাহাজ পৌঁছাল, সচল হচ্ছে ইস্টার্ন রিফাইনারি ◈ ৬ হাজার কিমি পাল্লার প্রথম আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র উন্মোচন করে বিশ্বকে তাকে লাগিয়ে দিল তুরস্ক ◈ লিমন-বৃষ্টির সম্মানে মরণোত্তর ডক্টরেট ডিগ্রি দিচ্ছে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় ◈ তিস্তা চুক্তি: ক্ষমতার পালাবদলে কি ভাঙবে ১৫ বছরের অচলাবস্থা?

প্রকাশিত : ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২, ০২:৫৫ রাত
আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর, ২০২২, ০২:৫৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঢাবির উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়টির সাবেক ছাত্রদের ভূমিকা কী?

আখতারুজ্জামান

অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান মামুন : যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই এসোসিয়েশন ইউএসএ’ আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গবেষণা ও উদ্ভাবনে তহবিল গঠন করার আহ্বান জানান। এই জন্য উপাচার্যকে অনেক ধন্যবাদ।

উনার এই আহবানে অ্যালামনাইরা কতটা সাড়া দিয়েছেন তার কোনো উল্লেখ নেই এই রিপোর্টে যা খুবই ফ্রাস্ট্রেটিং। ওই এসোসিয়েশনের সদস্যরা সবাই আমেরিকায় থাকেন এবং তাদের অনেকেই আমেরিকার অনেক নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।

তারা নিশ্চয়ই জানেন, সেখানকার বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইরা কি বিপুল অংকের অর্থ দান করেন। অথচ এত বড় একটি অনুষ্ঠান হয়ে গেলো, সেখানে একটি পয়সা ডোনেশনের কোনো প্রতিশ্রুতি নেই। 

এমআইটি কিংবা হার্ভার্ডে এমন অনুষ্ঠান হলে সেখানে তাৎক্ষণিকভাবেই মিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ডোনেশন হিসাবে আসতো। এই অনুষ্ঠানে যা হলো সেটা হলো খাওয়া দাওয়া আর ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় নিয়ে তারা কতটা গর্বিত সেই আলাপ।

গর্বের সাথে যে দায়িত্ব যোগ থাকে সেটা তারা বেমালুম ভুলে গেলেন। দেশে কিংবা বিদেশে আমাদের এলামনাইরা আসলে এমনই। ঢাবি নিয়ে তাদের গর্বের শেষ নেই, কিন্তু এটিকে সাহায্যের ব্যাপারে থাকে নীরব। অনেক ক্ষেত্রে পারলে এর ক্ষতিও করে।

যেমন বর্তমান বাংলাদেশের নীতিনির্ধারণদের অধিকাংশই ঢাবির সাবেক ছাত্র বা ছাত্রী। ঢাবির উন্নয়নে তাদের কী ভূমিকা? না তারা অর্থ দিয়ে ভূমিকা রাখে না তারা কর্ম দিয়ে ভূমিকা রাখে।

এখন যারা শিক্ষক তারাও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নতিতে কি ভূমিকা রাখছে? বর্তমান শিক্ষকরাইতো শিক্ষক নিয়োগ ও প্রমোশন বোর্ডে আছেন এবং তাদের হাতেই অযোগ্যরা নিয়োগ প্রমোশন পাচ্ছে।


তবে এলুমিনাইদের অনেকে অভিযোগ করে বর্তমান পরিস্থিতিতে ডোনেশন দিলেও কোনো উপকার হবে এই নিয়ে তারা সন্দিহান। এই কথাকে উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজেদের শিক্ষকরা ইচ্ছে করে দলান্ধ হয়ে দলীয় স্বার্থে শিক্ষক নিয়োগ ও প্রমোশন দেয় তারা ডোনেশনের টাকা সঠিকভাবে ব্যয় করবে কিনা সন্দেহতো করাই যায়। যুক্তি তাদের অভিযোগ খন্ডন করার মতো যুক্তি কি আমাদের আছে?


 লেখক: শিক্ষক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়