শিরোনাম
◈ ৭ গোলের ঝড়ে ক্রোয়েশিয়াকে উড়িয়ে ইতিহাস গড়ল ইংল্যান্ড ◈ ট্রাম্পের নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রীর ছবিকে এআই বলে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা চলছে: প্রেস উইং ◈ বেসরকারি ব্যাংকের ৭ কোটি টাকা নিয়ে ক্যাশ ইনচার্জ লাপাত্তা, আটক ২ কর্মকর্তা ◈ বঙ্গোপসাগরে ৩ লঘুচাপ সৃষ্টির আশঙ্কা, আসছে ঘূর্ণিঝড় ◈ দেড় মিনিটে ‘পুলিশ পরিচয়ে’ ছিনতাই সৌদি প্রবাসীর ছয় বছরের উপার্জন ◈ কর্মীদের 'অপরাধ' নিয়ন্ত্রণ কি বিএনপির জন্য কঠিন হয়ে উঠছে? ◈ আখতারুজ্জামান জামায়াতের নেতা নন, সহযোগী সদস্য: এটিএম আজহার ◈ ‘বৈধ ভিসা মানেই ভারতে প্রবেশের নিশ্চয়তা নয়’ ◈ দেশের উন্নয়ন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশই বাংলাদেশের প্রধান অগ্রাধিকার : তথ্যমন্ত্রী ◈ দুই ইউনিট সচল, রামপালে বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড

প্রকাশিত : ০৩ অক্টোবর, ২০২২, ০৮:৫৮ রাত
আপডেট : ০৩ অক্টোবর, ২০২২, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মামুনুল হকের বিরুদ্ধে দুই পুলিশের সাক্ষী

মামুনুল হক

মোশতাক আহমেদ, নারায়ণগঞ্জ : হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হকের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানায় দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় দুই পুলিশ অফিসার আদালতে সাক্ষী দিয়েছেন। সপ্তম দফায় সোমবার(৩ অক্টোবর) দুপুর ১২টা থেকে নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালতে সাক্ষী গ্রহন শুরু হয়।

সাক্ষ্যদাতারা হলেন, সোনারগাঁ থানার এসআই কোবায়েদ হোসেন ও এসআই বোরহান দর্জি। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। এই মামলার চার্জশীটে সাক্ষী হিসেবে রয়েছেন ৪০ জন।

আসামী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট একেএম ওমর ফারুক নয়ন বলেন, দুইজন পুলিশ কমকর্তার সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। তাদেরকে আমরা জেরা করে আসামীকে নির্দোষ প্রমানের চেষ্টা করেছি।

আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রকিব উদ্দিন আহমেদ  বলেন, সাক্ষীরা বলেছেন মামুনুল হক এই ধর্ষণের সাথে সরাসরি জড়িত ছিল।

কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান বলেন, মামুনুল হককে রোববার ( ২ অক্টোবর) কাশিমপুর কারাগার থেকে নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে আনা হয়।

সকাল ৯টায় জেলা কারাগার থেকে সাক্ষ্য গ্রহণের উদ্দেশ্যে আদালতে আনা হয়েছিল মামুনুল হককে। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে তাকে আবার নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে অবস্থান করছিলেন মামুনুল হক। ওই সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এসে তাকে ঘেরাও করেন।

পরে স্থানীয় হেফাজতের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এসে রিসোর্টে ব্যাপক ভাঙচুর করেন এবং তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যান।

এই ঘটনায় ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁ থানায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ মামলা করেন ওই নারী। তবে ওই নারীকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করে আসছেন মামুনুল হক। এএ

  • সর্বশেষ