শিরোনাম
◈ বিডিআর হত্যার ৪ প্রত্যক্ষদর্শীর চোখ বেঁধে গুলি, পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলার সাক্ষ্য ট্রাইব্যুনালে ◈ কম্পিউটারের ঝুপড়ি ঘরেই কোটি গ্রাহকের তথ্য! এনআইডি থেকে কললিস্ট সবই পাওয়া যায় সালামের কাছে (ভিডিও) ◈ মাহদী আমিন-দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠক, শিক্ষা-প্রযুক্তিতে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা ◈ সংসদের প্রতি মিনিটে ব্যয় ৩ লাখ ৫৬ হাজার, ৬০ দিনে ৭০৩ কোটি ◈ ভুয়া গ্রামীন লোনের ভয়ংকর ফাঁদ, প্রতারণায় অভিযুক্ত মাহিনের বিলাসী জীবন!(ভিডিও) ◈ দেশের সন্তানদের ভালো অর্জনের স্বীকৃতি দেবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ◈ পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল, পদোন্নতি পেলেন ৩ ডিআইজি ◈ পারদ নিষিদ্ধের এক যুগ পরও অ্যামাজন-টেমুতে বিক্রি হচ্ছে বিষাক্ত ত্বক ফর্সাকারী ক্রিম ◈ ‌লিগ কাপ থে‌কে বিদায় নি‌য়ে ৫০ বছর আগের দুঃসহ স্মৃতি ফিরিয়ে আনলো ম‌্যান‌চেস্টার ইউনাইটেড ◈ তিন বছর পর আইপিএলের নিলাম ফিরছে ভারতে, ডিসেম্বরে হবে ক্রিকেটারদের কেনাবেচার প্রতিযোগিতা

প্রকাশিত : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০২:৫৩ দুপুর
আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৩:২৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিডিআর হত্যার ৪ প্রত্যক্ষদর্শীর চোখ বেঁধে গুলি, পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলার সাক্ষ্য ট্রাইব্যুনালে

বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলামসহ চার জনকে বলেশ্বর নদীতে নিয়ে চোখ বেঁধে, গুলি করে, পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে পানিতে ফেলা দেওয়া হয়েছিল বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন মেজর সাব্বির।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনাল-১ এ গুমের মামলায় এ সাক্ষ্য দেন প্রত্যক্ষদর্শী মেজর সাব্বির।

advertisement

তিনি বলেন, ‘২০১০ সালের মে মাসে র‍্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের তৎকালীন প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায় র‍্যাব-৮ ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা।’

মেজর সাব্বির জানান, তারা পাথরঘাটার চরদুয়ানির বলেশ্বর নদীতে ফ্রিশিং ট্রলারে মুখ ও পুরো শরীর ঢেকে চারজনকে নিয়ে যান, পরে তাদেরকে নৃশংসভাবে মেরে ফেলেন।

advertisement

একই কায়দায় ২০১০ সালে আরেক ব্যক্তিকে মেরে নদীতে ফেলা হয় বলেও সাক্ষ্য দেন সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা।

তিনি জানান, ২০১১ সালে জিয়াউল আহসানের গলফ অপারেশনে জড়িত ট্রলার মাঝিদের মধ্যে একজন, আলকাস মাঝিকেও গুম করে হত্যা করা হয়।

advertisement

গুমের মামলায় এখন পর্যন্ত জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভুইয়া, হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী সেনা ও র‍্যাবের কর্মকর্তারা সাক্ষ্য দেন। এরপর এ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নেওয়া হবে। পরে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন হবে৷ বিগত ১৬ বছরে এটিই প্রথম গুমের মামলা যার বিচার শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

 

  • সর্বশেষ