শিরোনাম
◈ বিগত সরকারের প্রকল্পে দুর্নীতি, তদন্ত শেষে ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রী ◈ তিন দেশ থেকে এক লাখ ১০ হাজার টন সার আমদানি করছে সরকার ◈ হংকংয়ের সঙ্গে বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি, খুলবে সম্ভাবনার নতুন দ্বার ◈ ইন্দোনেশিয়ায় পণ্য রপ্তানির মধ্য দিয়ে চালু হলো বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-২ ◈ বিবাহ-তালাক নিবন্ধনের ডিজিটাইজেশন হচ্ছে, কমবে বাল্যবিয়ে ও বহুবিবাহ: আইনমন্ত্রী ◈ টিকাদানে ঘাটতিতে বাংলাদেশে ভয়াবহ হাম প্রাদুর্ভাব: রয়টার্সের প্রতিবেদন ◈ পোশাক রপ্তানিতে আশার আলো, যুক্তরাষ্ট্রে বড় প্রবৃদ্ধি ◈ প্রাথমিকের কারিকুলামে যুক্ত হচ্ছে লিসেনিং-স্পিকিং ◈ বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান ◈ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে রয়েছেন যারা

প্রকাশিত : ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল
আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:১১ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হংকংয়ের সঙ্গে বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি, খুলবে সম্ভাবনার নতুন দ্বার

বাংলাদেশ ও হংকংয়ের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও সুরক্ষায় ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন অ্যান্ড প্রোটেকশন এগ্রিমেন্ট (আইপিপিএ) চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) হংকংয়ে অনুষ্ঠিত ১১তম বেল্ট অ্যান্ড রোড সামিট ২০২৬-এর উদ্বোধনী পর্বে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং হংকং সরকারের পক্ষে স্বাক্ষর করেন বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নবিষয়ক সেক্রেটারি আলজের্নন ইএই।

চুক্তির ফলে বাংলাদেশ ও হংকংয়ের বিনিয়োগকারীদের পারস্পরিক বিনিয়োগ ও পুঁজির সুরক্ষা আরও জোরদার হবে। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরির পাশাপাশি নতুন অর্থনৈতিক সহযোগিতার সুযোগও তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বর্তমানে বাংলাদেশের সপ্তম বৃহত্তম বিনিয়োগের উৎস হংকং। নতুন এ চুক্তির ফলে বাংলাদেশে হংকংয়ের বিনিয়োগ আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক ও বস্ত্র শিল্পসহ সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের প্রবাহ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত পাঁচ বছরে হংকং থেকে বাংলাদেশ প্রায় ৭৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) আকর্ষণ করেছে। এর মধ্যে শুধু ২০২৫ সালে এসেছে ১২২ মিলিয়ন ডলার।

সংশ্লিষ্টদের মতে, আইপিপিএ স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে। এর ফলে বিনিয়োগের পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার এবং বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

 

  • সর্বশেষ