শিরোনাম
◈ তিন দেশ থেকে এক লাখ ১০ হাজার টন সার আমদানি করছে সরকার ◈ হংকংয়ের সঙ্গে বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি, খুলবে সম্ভাবনার নতুন দ্বার ◈ ইন্দোনেশিয়ায় পণ্য রপ্তানির মধ্য দিয়ে চালু হলো বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-২ ◈ বিবাহ-তালাক নিবন্ধনের ডিজিটাইজেশন হচ্ছে, কমবে বাল্যবিয়ে ও বহুবিবাহ: আইনমন্ত্রী ◈ টিকাদানে ঘাটতিতে বাংলাদেশে ভয়াবহ হাম প্রাদুর্ভাব: রয়টার্সের প্রতিবেদন ◈ পোশাক রপ্তানিতে আশার আলো, যুক্তরাষ্ট্রে বড় প্রবৃদ্ধি ◈ প্রাথমিকের কারিকুলামে যুক্ত হচ্ছে লিসেনিং-স্পিকিং ◈ বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান ◈ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে রয়েছেন যারা ◈ হাম ও উপসর্গে আরও ৩ প্রাণহানি, মৃত্যু হাজার ছাড়াল

প্রকাশিত : ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৬:৩৫ বিকাল
আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:১১ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সালমান শাহ হত্যা মামলা: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেছেন ডন, মিলছে তার সম্পৃক্ততার কিছু প্রমাণ

চিত্রনায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় করা হত্যা মামলায় পাঁচদিনের রিমান্ড শেষে খলনায়ক আশরাফুল হক ডনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের সময় ডন মামলার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেছেন বলে দাবি করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে কিছু তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে বলেও আদালতকে জানিয়েছে তদন্ত সংস্থা।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ডনকে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের পরিদর্শক মজিবুর রহমান। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়, ডন ছিলেন সালমান শাহর ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং ১৯৯২ সাল থেকে ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তার সঙ্গে একাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। মামলার এজাহারে থাকা পলাতক আসামিদের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তাদের পরিচয় সম্পর্কে ডন অবগত থাকার কথা জানিয়েছেন। তবে মামলার ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি বেশ কিছু তথ্য এড়িয়ে গেছেন বলে দাবি তদন্ত কর্মকর্তার।

আবেদনে আরও বলা হয়, সালমান শাহর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কারণে তার ব্যক্তিগত জীবন ও বিভিন্ন ঘটনা সম্পর্কে ডনের জানাশোনা থাকার কথা। কিন্তু মৃত্যুর ঘটনা এবং মামলার অভিযোগ নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি কৌশলে উত্তর দিয়েছেন। তার বক্তব্য, আচরণ ও অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণ করে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে কিছু তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। এসব তথ্যের সত্যতা যাচাই-বাছাই চলছে।

তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে জানান, মামলাটি দীর্ঘদিনের ও আলোচিত হওয়ায় পাওয়া তথ্যগুলো যাচাই করে দেখা হচ্ছে। তদন্তের প্রয়োজনে ভবিষ্যতে আদালতের অনুমতি নিয়ে ডনকে আবারও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

পুলিশ জানায়, ডনের পক্ষে আদালতে কোনো আবেদন করা হয়নি। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

গত ৯ আগস্ট হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ডনকে গ্রেফতার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। পরে তাকে সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। ওইদিনই তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ২০ আগস্ট তার সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। ২৭ আগস্ট শুনানি শেষে আদালত ডনের পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। উৎস: জাগোনিউজ২৪

 

  • সর্বশেষ