শিরোনাম
◈ তিন দেশ থেকে এক লাখ ১০ হাজার টন সার আমদানি করছে সরকার ◈ হংকংয়ের সঙ্গে বিনিয়োগ সুরক্ষা চুক্তি, খুলবে সম্ভাবনার নতুন দ্বার ◈ ইন্দোনেশিয়ায় পণ্য রপ্তানির মধ্য দিয়ে চালু হলো বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল-২ ◈ বিবাহ-তালাক নিবন্ধনের ডিজিটাইজেশন হচ্ছে, কমবে বাল্যবিয়ে ও বহুবিবাহ: আইনমন্ত্রী ◈ টিকাদানে ঘাটতিতে বাংলাদেশে ভয়াবহ হাম প্রাদুর্ভাব: রয়টার্সের প্রতিবেদন ◈ পোশাক রপ্তানিতে আশার আলো, যুক্তরাষ্ট্রে বড় প্রবৃদ্ধি ◈ প্রাথমিকের কারিকুলামে যুক্ত হচ্ছে লিসেনিং-স্পিকিং ◈ বাংলাদেশ থেকে ১০ হাজার কৃষক ও মৎস্যজীবী নেবে ওমান ◈ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে রয়েছেন যারা ◈ হাম ও উপসর্গে আরও ৩ প্রাণহানি, মৃত্যু হাজার ছাড়াল

প্রকাশিত : ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৬:২৫ বিকাল
আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:১১ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে রয়েছেন যারা

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি করা হয়েছে নাটোর-২ আসনের চারবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুকে।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলাম মনি এ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। পরে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।

কমিটির সদস্যরা হলেন— এ জেড এম রেজওয়ানুল হক (দিনাজপুর-৫), মো. আনোয়ারুল ইসলাম (নাটোর-৩), মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরী (শেরপুর-২), কে এম বাবর (গোপালগঞ্জ-২), সানসিলা জেবরিন (মহিলা আসন-১৫), সালাহ উদ্দিন (গাজীপুর-৪), মারদিয়া মমতাজ (মহিলা আসন-৪৪) এবং মো. আব্দুল গফুর (কুষ্টিয়া-২)।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু নাটোর-২ আসনের চারবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য। স্কুলজীবন থেকেই তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

১৯৯৬, ২০০১ এবং ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে বিএনপি সরকার গঠন করলে রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু উপমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পান। ওই সময়ে নিজ এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন তিনি।

ওয়ান-ইলেভেনের সময় থেকে রাজনৈতিক জীবনে নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হন দুলু। তার বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়ের করা হয়। ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এলে তার বিরুদ্ধে মামলা ও হয়রানির মাত্রা আরও বেড়ে যায় বলে দলীয় সূত্রে জানা যায়। একপর্যায়ে তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার সংখ্যা ১৪৭টিতে দাঁড়ায়।

বিভিন্ন মামলায় মোট প্রায় পাঁচ বছর কারাগারেও ছিলেন বিএনপির এই নেতা।

 

  • সর্বশেষ