শিরোনাম
◈ শান্তি-শৃঙ্খলা ছাড়া দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী ◈ একদিনে শাহজালালে চার ফ্লাইটে অভিযান, যাত্রীদের ব্যাগে যা পাওয়া গেলো ◈ মির্জা ফখরুলের স্থলে কে হচ্ছেন বিএনপির পরবর্তী মহাসচিব? ◈ দেশের প্রতিটি খুন ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার হবে : আইনমন্ত্রী ◈ অসুস্থ সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, পা অবশ হওয়ায় চলাফেরা সীমিত ◈ ম্যারাডোনার সতীর্থ কিংবদন্তি ফুটবলার ক্যানেজিয়া ঢাকায় আসছেন ◈ কোন প্রক্রিয়ায় শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাবে সেটা ভারতের সিদ্ধান্ত : চিফ প্রসিকিউটর ◈ জ্বালানি সংকটের স্থায়ী সমাধানে সময় লাগবে দুই বছর: আমির খসরু ◈ শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের আদালত : ইন্ডিয়ান এক্স‌প্রেসের প্রতি‌বেদন ◈ গ্রিসের পথে নৌকার ইঞ্জিন নষ্ট, সাগরে প্রাণ গেল ১১ বাংলাদেশির

প্রকাশিত : ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০৯ বিকাল
আপডেট : ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মির্জা ফখরুলের স্থলে কে হচ্ছেন বিএনপির পরবর্তী মহাসচিব?

বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন।। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাষ্ট্রপতি পদে কাকে করা হবে, তা নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে নানা আলোচনা চলছিল। গত ১৩ আগস্ট দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণার পর বিএনপির মহাসচিবের পদটিও শূন্য হওয়ার পথে।

জাতীয় সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে তার শূন্য পদে কে বিএনপির মহাসচিব হবেন, তা নিয়েও দলের ভেতরে-বাইরে আলোচনা শুরু হয়েছে।

প্রথমে ভারপ্রাপ্ত এবং পরে কাউন্সিলের মাধ্যমে মহাসচিব নির্বাচিত হওয়ার পর প্রায় ১৬ বছর ধরে দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাংগঠনিক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন বর্ষীয়ান এই নেতা।

তার স্থলাভিষিক্ত কে হবেন—এই প্রশ্নে দলের ভেতরে এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে কয়েকজন নেতার নাম ঘুরেফিরে আসছে।

তবে বিএনপির একাধিক নেতা জানিয়েছেন, দলের পক্ষ থেকে এখনো কাউকে এই পদের জন্য চূড়ান্তভাবে বা ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।

বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, দলের স্থায়ী মহাসচিব জাতীয় কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্বাচিত হন। এর আগে কোনো নেতা সাময়িকভাবে বা ভারপ্রাপ্ত হিসেবে মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, বর্তমানে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করা রুহুল কবির রিজভীই গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্থলে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে রিজভীর দায়িত্ব পালনের বিষয়টি দলের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হলেও পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব পাওয়ার বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়।

কারণ, রিজভী ছাড়াও আরও দুই-তিনজনের নাম দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছে। যদিও এসব বিষয় নিয়ে দলীয় হাইকমান্ড বা স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি।

বিএনপির সূত্রগুলো বলছে, জাতীয় কাউন্সিলে কিংবা তার আগেই কাউকে পূর্ণাঙ্গভাবে মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। তবে এর আগে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে রুহুল কবির রিজভী দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

রুহুল কবির রিজভী বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, ‘আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি। পার্টি যেটা সিদ্ধান্ত নেবে, সেটার জন্যই অপেক্ষা করে আছি।’

তবে বিএনপির নেতারা আভাস দিয়েছেন, দলীয় ফোরামে আলোচনা হলেও মহাসচিব কে হবেন, সেটি মূলত দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে।

প্রথমে ভারপ্রাপ্ত, পরে পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব?

বিএনপির সিনিয়র নেতা খন্দকার দেলোয়ার হোসেন ২০০৭ সালে সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে দলটির মহাসচিবের দায়িত্ব পান।

২০১১ সালে খন্দকার দেলোয়ার হোসেন মারা যাওয়ার সময় দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তার মৃত্যুর পর পদটি শূন্য হলে মির্জা ফখরুলকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব করা হয়। পরে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত হিসেবেই দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ওই বছর বিএনপির জাতীয় কাউন্সিলে তাকে পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব নির্বাচিত করা হয়।

রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত হওয়ায় এখন বাকি শুধু ভোটের আনুষ্ঠানিকতা। সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির প্রার্থী ফখরুলের বিজয় অনেকটাই নিশ্চিত বলে মনে করা হচ্ছে।

ফলে আগামী ২০ আগস্ট ভোটের ফলাফলের পর মহাসচিব পদে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র নেতারা।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বিবিসি বাংলাকে বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এখনো কিন্তু প্রার্থী। তিনি এখনো নির্বাচিত হননি। সেই হিসেবে এখনো মহাসচিব পদটি শূন্য হয়নি। যখন তিনি শপথ নেবেন বা নির্বাচনে জিতে যাবেন, তখন তার এমপি পদসহ সব পদই শূন্য হবে।’

দলের কয়েকটি সূত্র বলছে, প্রাথমিকভাবে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হওয়ার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। পরে দল থেকে পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব নিয়োগ দেওয়া হলে রিজভী এই পদে থাকতেও পারেন, আবার তার পরিবর্তে অন্য কাউকেও দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

রিজভী বিবিসি বাংলাকে বলেন, ‘কখনো কাউন্সিলের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব পদ দেওয়া হয়েছে, কখনো আবার কাউন্সিল ছাড়াও মহাসচিব পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এটার সমস্ত ক্ষমতা চেয়ারম্যানকে দেওয়া আছে। এই দায়িত্ব কাউন্সিল থেকেই দেওয়া হয়েছে।’

২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত নানা চড়াই-উতরাইয়ের মধ্য দিয়ে গেছে বিএনপির রাজনীতি। মাঠে থেকে দলীয় দায়িত্ব পালন করা নেতাদের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পরই রুহুল কবির রিজভীর নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত।

সে হিসেবে দলীয় কর্মী-সমর্থক থেকে শুরু করে সিনিয়র নেতাদের অনেকেই মনে করছেন, প্রাথমিকভাবে মহাসচিব পদে রিজভীর নামই সবচেয়ে এগিয়ে।

যদিও বাংলাদেশের কয়েকটি গণমাধ্যমের খবরে স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ আরও কয়েকজন সিনিয়র নেতার নাম সম্ভাব্য মহাসচিব হিসেবে সামনে এসেছে। এসব খবরে বলা হয়েছে, সালাহউদ্দিন আহমদকে মন্ত্রণালয় পরিবর্তন করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। অতীতে রাজনৈতিক দলগুলোর মহাসচিব বা সাধারণ সম্পাদককে এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।

সম্ভাব্য মহাসচিব হিসেবে বিএনপির দুই যুগ্ম মহাসচিব শহীদউদ্দিন চৌধুরী অ্যানি ও হাবিব উন নবী খান সোহেলের নামও বিভিন্ন গণমাধ্যমে এসেছে।

তবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বিবিসি বাংলাকে বলেন, ‘বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নাম আমরা শুনি। কিন্তু পার্টির ভেতর তো এ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। এই যে নামগুলো আসে, নিউজগুলো আসে, নেতাকর্মীরা যা বলতে থাকে, সেই পরিপ্রেক্ষিতে গণমাধ্যম বলে থাকে।’

তিনি বলেন, ‘মহাসচিব হওয়ার মতো যোগ্য তো অনেকেই আছেন। প্রশ্নটা হলো—নিয়ম অনুযায়ী আপাতত রুহুল কবির রিজভী হওয়ার কথা। প্রোটোকল অনুযায়ী উনি আসছেন। যদি অন্য কিছু হয়, সেটা পরের ব্যাপার।’

রিজভীসহ চারজন স্থায়ী কমিটিতে

রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে প্রার্থী করার দুই দিনের মাথায় বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে নতুন চারজন নেতাকে মনোনীত করা হয়েছে।

দীর্ঘদিন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করা রুহুল কবির রিজভীকে শনিবার স্থায়ী কমিটির সদস্য করা হয়েছে।

রিজভী ছাড়াও স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আমান উল্লাহ আমান, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ফরহাদ হালিম এবং চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।

বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সাংগঠনিক গতিশীলতা বাড়ানোর লক্ষ্যে এবং দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই চার নেতাকে জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

বিএনপির সর্বশেষ জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয় ২০১৬ সালে। ওই সময় জাতীয় স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। পরে সদস্যদের মৃত্যু ও পদত্যাগসহ বিভিন্ন কারণে কমিটির কয়েকটি পদ শূন্য হয়। এরপর বিভিন্ন সময়ে স্থায়ী কমিটিতে নতুন সদস্য যুক্ত করেছে দলটি। এবার একসঙ্গে চারজনকে স্থায়ী কমিটিতে যুক্ত করা হয়েছে।

বর্তমানে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও এ জেড এম জাহিদ হোসেন স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

মহাসচিব পদে কে কতদিন ছিলেন?

বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামোতে মহাসচিব পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দলের চেয়ারপারসনের পর সাংগঠনিক ও নির্বাহী কর্মকাণ্ডে মহাসচিবের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি।

সে কারণে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের স্থলাভিষিক্ত কে হবেন, সেই প্রশ্নের পাশাপাশি নতুন মহাসচিব শুরুতে ভারপ্রাপ্ত নাকি পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব পাবেন, সেটিও আলোচনায় এসেছে।

যদিও স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, আগামীতে যাকে মহাসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হবে, তাকে ভারপ্রাপ্ত নাকি পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব দেওয়া হবে—এ বিষয়ে দলের হাইকমান্ডে এখনো কোনো আলোচনা হয়নি।

১৯৭৮ সালে বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে একাধিক প্রবীণ ও প্রভাবশালী নেতা এই পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বিএনপি প্রতিষ্ঠার পর ১৯৭৮ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত দলটির প্রথম মহাসচিব ছিলেন অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী।

এরপর মহাসচিব হন অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি ১৯৮৬ থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত প্রায় এক বছর দায়িত্ব পালন করেন।

মোস্তাফিজুর রহমানের পর ১৯৮৭ সালে মহাসচিব করা হয় কে এম ওবায়দুর রহমানকে। তিনিও প্রায় এক বছর এ পদে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৮৮ সালে আবদুস সালাম তালুকদারকে মহাসচিব করা হয়। তিনি ১৯৮৮ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত প্রায় আট বছর এ পদে ছিলেন।

১৯৯৬ সালের জুনে বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্ব পান আবদুল মান্নান ভূঁইয়া। এর আগে তিনি দলটির যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। ওয়ান-ইলেভেনের সরকারের সময় ২০০৭ সালে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।

আবদুল মান্নান ভূঁইয়ার পর মহাসচিবের দায়িত্ব পান খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন। ২০১১ সালের ১৬ মার্চ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রায় চার বছর বিএনপির মহাসচিব ছিলেন তিনি।

তার মৃত্যুর পর তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব করা হয়। দলের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় এ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন মির্জা ফখরুল।

২০১১ সালে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০১৬ সালের জাতীয় কাউন্সিলে পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব নির্বাচিত হন তিনি। ২০২৬ সালের ১৩ আগস্ট রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আগামী ২০ আগস্ট সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হলে একই সঙ্গে বিএনপির মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির একটি পদ শূন্য হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর পদ এবং ঠাকুরগাঁওয়ের যে আসন থেকে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, সেই আসনটিও শূন্য হওয়ার কথা রয়েছে। ওই আসনে উপনির্বাচনের আয়োজন করতে হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়