শিরোনাম
◈ ভারতসহ ৪০ দেশের মাধ্যমে চীনের পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে, শুল্ক ফাঁকির অভিযোগ ◈ নিরাপত্তাহীন শিপইয়ার্ডে একের পর এক প্রাণহানি, এক যুগে নিহত ১৪৮ ◈ ইরানকে চাপে ফেলতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত ট্রাম্প প্রশাসনই নতি স্বীকার করতে পারে: সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত ◈ মার্কিন অবরোধের চাপেও সচল ইরানের তেলবন্দর, খারগ দ্বীপে ফের তেল উত্তোলন ◈ কুমিল্লায় চাষ হচ্ছে ‘বিশ্বের সবচেয়ে দামি’ মরিচ, কেজি ২৮ লাখ টাকা! ◈ ৬০ কেজি লোহার দামে মিলতে পারে জীবনরক্ষাকারী মাস্ক, তবু ঝরছে জাহাজভাঙা শ্রমিকের প্রাণ ◈ বিশ্বকাপ শেষে চারটি বিশ্বরেকর্ড গড়ে গিনেস বুকে আ‌র্লিং হালান্ড ◈ চিকিৎসার জন্য বিদেশ নয়, দেশেই বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা: প্রধানমন্ত্রী ◈ আগাছা মারতে প্যারাকোয়াট, মরছে মানুষ: ৭০ দেশে নিষিদ্ধ, বাংলাদেশে চলছে কীভাবে ◈ এটাই আসল টেস্ট ক্রিকেট, বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের প্রশংসায় অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার

প্রকাশিত : ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০২:৫৪ দুপুর
আপডেট : ১০ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নৌকায় তুলে বুড়িগঙ্গায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ৪ জনের যাবজ্জীবন

জোরপূর্বক নৌকায় তুলে বুড়িগঙ্গা নদীর মাঝখানে নিয়ে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণের দায়ে চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার একটি ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- শহিদুল ইসলাম, নিজাম, মনির হোসেন সেন্টু ও সাইফুল ইসলাম।

আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, আসামিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে জরিমানার অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিতে হবে। এ বিষয়ে আদালতের প্রসিকিউটর এরশাদ আলম (জর্জ) সাজার তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামিদের মধ্যে সাইফুল ইসলাম পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। অপর তিন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০০৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ভুক্তভোগী তরুণী তার এক বান্ধবীর সঙ্গে কামরাঙ্গীরচরের আশ্রাফাবাদ এলাকায় ময়দার মিল সংলগ্ন নৌকা ঘাটে বেড়াতে যান। এক পর্যায়ে বান্ধবী চলে গেলে সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে আসামিরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তাকে জোরপূর্বক একটি নৌকায় তোলে।

নৌকাটি বুড়িগঙ্গা নদীর মাঝখানে নিয়ে গিয়ে মাঝিকে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। এরপর নৌকার মধ্যেই পালাক্রমে তরুণীকে ধর্ষণ করা হয়। পরে তাকে একটি বাড়ির কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখা হয়।

খবর পেয়ে ভুক্তভোগীর বাবা-মা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসা শেষে তিনি নিজেই থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১০ সালের ৩১ অক্টোবর কামরাঙ্গীরচর থানার তৎকালীন এসআই শফিকুল ইসলাম শিকদার আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আদালতে মোট আটজন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন। উৎস: আরটিভি অনলাইন।

 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়