বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় নদ-নদীর পানি বাড়ছে। এরই মধ্যে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এই অবস্থায় আগামী ৭২ ঘণ্টায় (৩ দিন) নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে দেশের ৩ জেলার কিছু স্থানে নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) এক পূর্বাভাসে এমন শঙ্কার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
ওই পূর্বাভাসে এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলীয় তিস্তা নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। অপরদিকে ধরলা ও দুধকুমার নদীগুলোর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে।
আগামী ৩ দিন এসব নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে আগামী ৭২ ঘণ্টায় (৩ দিন) নীলফামারী, লালমনিরহাট ও রংপুর জেলার কিছু কিছু স্থানে তিস্তা নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে এবং নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চল কোথাও কোথাও সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের পূর্বাঞ্চলীয় ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় চট্টগ্রাম বিভাগের মাতামুহুরী নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি গোমতী, মুহুরী, সেলোনিয়া, ফেনী, হালদা ও সাঙ্গু নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে। আগামী ৩ দিন এসব নদীর পানি সমতল বৃদ্ধি পেতে পারে।
অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে, যা আগামী ৩ দিন অব্যাহত থাকতে পারে এবং পরবর্তী ২ দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। পাশাপাশি গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি সমতল গত ২৪ ঘণ্টায় স্থিতিশীল ছিল, যা আগামী ২ দিন অব্যাহত থাকতে পারে ও পরবর্তী ৩ দিন বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে এই সময়ে উল্লেখিত নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র আরো জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা-কুশিয়ারা নদীর পানি সমতল হ্রাস পেয়েছে। আগামী ৩ দিনও এসব নদীর পানি সমতল হ্রাস পেতে পারে।