শিরোনাম
◈ ইরানের বিরুদ্ধে ‘অনির্দিষ্টকাল’ অবরোধের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের, নতুন রণতরি মোতায়েন ◈ মিরাজের হাফ সেঞ্চুরি, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের লিড ২০০ ছাড়াল ◈ ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প ◈ ইতিহাসের বৃহত্তম তেল সংকটে বিশ্ব, মজুত নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ ◈ পোল্যান্ডে বাংলাদেশিদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে দূতাবাসের সতর্কবার্তা ◈ গঙ্গার পানি নিয়ে নতুন সমঝোতা, বড় পরীক্ষার মুখে ঢাকা-দিল্লি ◈ ১৫ আগস্ট ঘিরে রাজধানীতে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা, জোরদার চেকপোস্ট-তল্লাশি ◈ প্রধানমন্ত্রী চাইলে যেকোনো সময় মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন করতে পারেন: সমাজকল্যাণমন্ত্রী ◈ সরকারি কর্মকর্তাদের বেতন দেওয়াটাও কঠিন হয়ে যাবে একদিন: বিদ্যুৎমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মদিন আজ

প্রকাশিত : ০২ মে, ২০২৬, ০১:১৩ রাত
আপডেট : ১২ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফ্লোরিডায় উদ্ধার দ্বিতীয় মরদেহ বৃষ্টির: দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হত্যা মামলায় চাঞ্চল্যকর অগ্রগতি

বৃষ্টির পরিবারের অনুরোধে তাঁর মরদেহ দ্রুত বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এই লক্ষ্যে ওয়াশিংটন ডিসিতে বাংলাদেশ দূতাবাস ও মায়ামিতে বাংলাদেশ কনস্যুলেট যৌথভাবে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় উদ্ধার হওয়া দ্বিতীয় মরদেহটি বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার (১ মে) বাংলাদেশি গণমাধ্যমকে হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় এই তথ্য জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তোজা।

অন্যদিকে নিহত আরেক শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের মরদেহ ৪ মে ঢাকায় পৌঁছাবে।

গোলাম মোর্তোজা বলেন, অ্যামিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লিমনের মরদেহটি পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এর আগে ২ মে রাত ৮টা ৫০ মিনিটে অরল্যান্ডো থেকে দুবাই হয়ে মরদেহটি পাঠানো হবে। লিমনের মরদেহ ইতিমধ্যে একটি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া প্রতিষ্ঠান গ্রহণ করেছে।

গোলাম মোর্তোজা আরও জানান, ফ্লোরিডার টাম্পায় ইসলামিক সোসাইটি অব টাম্পা বে এরিয়ায় বৃহস্পতিবার জোহরের নামাজের পর লিমনের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

লিমন ও বৃষ্টি উভয়েই ২৭ বছর বয়সী বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী। গত ১৬ এপ্রিল তাঁরা নিখোঁজ হন। লিমনকে সর্বশেষ দেখা যায় তাঁর বাসার বাইরে, যেখানে তিনি অভিযুক্ত হিশাম আবুগারবিয়েহ (২৬) এবং আরেক রুমমেটের সঙ্গে থাকতেন।

তদন্তকারীরা মোবাইল ফোনের অবস্থান ও লাইসেন্স প্লেট শনাক্তকারী প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্ত ব্যক্তির গাড়ি এবং লিমনের ফোনের গতিপথ অনুসরণ করে ২৪ এপ্রিল একটি সেতুর কাছে লিমনের মরদেহ উদ্ধার করেন। প্রসিকিউটরদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাঁর শরীরে একাধিক ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল এবং তাঁকে বেঁধে রাখা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পরে ২৬ এপ্রিল কাছাকাছি একটি জলপথ থেকে আরেকটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়, যা এখন বৃষ্টির বলে নিশ্চিত হয়েছে।

ঘটনার কয়েক দিন পর অভিযুক্তকে তাঁর মা-বাবার বাড়ি থেকে একটি সোয়াট টিম গ্রেপ্তার করে। আদালত তাঁকে জামিন ছাড়াই আটক রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। টাম্পায় অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত শুনানিতে হিলসবরো কাউন্টির বিচারক লোগান মারফি অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সাক্ষী বা ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগে নিষেধাজ্ঞাও দিয়েছেন।

আদালতের নথি অনুযায়ী অভিযুক্ত হিশাম আবুগারবিয়েহর বিরুদ্ধে অস্ত্রসহ প্রথম ডিগ্রির দুটি হত্যার অভিযোগসহ আরও কয়েকটি অভিযোগ আনা হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে তিনি মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি হতে পারেন, যদিও প্রসিকিউটররা এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাননি। তাঁরা আলোচনার মাধ্যমে শাস্তির মাত্রা নির্ধারণ করবেন।

নিখোঁজ হওয়ার কয়েক দিন পর জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত আবুগারবিয়েহ জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছিলেন। তবে তদন্তকারীরা সে সময় লক্ষ করেন, তাঁর কনিষ্ঠ আঙুলে ব্যান্ডেজ ছিল।

পরে ভবনের ম্যানেজারের সহায়তায় তদন্তকারীরা অ্যাপার্টমেন্টে প্রবেশ করেন। সেখানে থাকা আরেক রুমমেট পুলিশকে জানান, ১৬ এপ্রিল রাতে অভিযুক্ত আবুগারবিয়েহ একটি ট্রলি ব্যবহার করে নিজের কক্ষ থেকে কার্ডবোর্ডের বাক্স সরিয়ে আবর্জনা রাখার স্থানে নিয়ে যান।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়