শিরোনাম
◈ ‘পরিচয় দেওয়ার পরও মারছিল’, ডিবি পরিচয়ে তুলে নেওয়ার চেষ্টা, মারধরের অভিযোগে কান্নায় ভেঙে পড়লেন ক্রিকেটার নাঈম ◈ বাংলাদেশে শিশুদের ভিটামিন-এ ক্যাম্পেইন বন্ধ কেন? ◈ বিশ্বকা‌প, প‌্যারাগু‌য়ে‌কে উড়ি‌য়ে দি‌য়ে যুক্তরাস্ট্র ম‌্যাচ জিত‌লো ৪-১ গো‌লে   ◈ বিশ্বকা‌পে আজ শেষ রা‌তে ব্রা‌জিল লড়‌বে মরক্কোর বিরু‌দ্ধে ◈ ১৯৮২ সা‌লে বিশ্বকাপের ম্যাচে মাঠে নেমে গোল বাতিল করান কুয়েতের রাজপুত্র!  ◈ ঢাকাসহ বিভিন্ন অঞ্চলে দমকা হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা ◈ কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মাজারে জমা হওয়া কোটি টাকার দান কোথায় যায়? হিসাব তলব প্রশাসনের ◈ নিখোঁজের রহস্যের অবসান, লাকসাম স্টেশনে আহত অবস্থায় খোঁজ মিলল জিসানের ◈ বিশ্বকাপের মঞ্চে সিআইএর গোপন অপারেশন? ইংল্যান্ডের গোলরক্ষককে বিষপ্রয়োগের দাবি

প্রকাশিত : ০৭ অক্টোবর, ২০২৫, ০১:০২ দুপুর
আপডেট : ১২ জুন, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

নতুন ২ টিভির লাইসেন্স পেলেন যারা

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে লাইসেন্স পেয়েছে নতুন দুই প্রতিষ্ঠান। ‘নেক্সট টিভি’ ও ‘লাইভ টিভি’ নামে নতুন দুই প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন দিয়েছে তথ্য মন্ত্রণালয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, আগের প্রথা অনুযায়ী নতুন টিভির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সুনির্দিষ্ট নীতিমালা করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

জানা গেছে, নেক্সট টিভির লাইসেন্স পেয়েছেন মো. আরিফুর রহমান তুহিন নামের এক ব্যক্তি। আর লাইভ টিভির লাইসেন্স পেয়েছেন আরিফুর রহমান নামের আরেকজন। সূত্র জানিয়েছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সাড়ে ১৫ বছরে ২৮টি টেলিভিশন লাইসেন্স পেয়েছে। এসবের মালিকদের বেশিরভাগ সরকারঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী, সাংবাদিক ও রাজনীতিবিদ। তারাই এসব চ্যানেলের লাইসেন্স পেয়েছেন।

বর্তমানে দেশে অনুমোদিত ৫০টি বেসরকারি টিভি চ্যানেল রয়েছে। এর মধ্যে পূর্ণ সম্প্রচারে রয়েছে মাত্র ৩৬ প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া ১৪টি সম্প্রচারের অপেক্ষায় আছে। অনুমোদিত আইপি টিভি (ইন্টারনেট প্রটোকল টেলিভিশন) রয়েছে ১৫। টিভি চ্যানেলের আরও কিছু আবেদন অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের যে কোনো নাগরিক বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমোদনের জন্য আবেদন করতে পারেন। এ জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র, প্রতিষ্ঠানের গঠনতন্ত্র (আর্টিকেল অব মেমোরেন্ডাম), ইনকরপোরেশন সনদ, ট্রেড লাইসেন্স, আয়কর সনদ, ব্যাংক সলভেন্সি সনদ, প্রকল্প প্রস্তাব এবং ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে চ্যানেল পরিচালনার সক্ষমতার অঙ্গীকারনামা জমা দিতে হয়।

আবেদন জমা দেওয়ার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করা হয়। লাইসেন্স অনুমোদনের পর বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) থেকে ‘ফ্রিকোয়েন্সি ক্লিয়ারেন্স’ নিতে হয়, যা মূলত সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সবুজ সংকেতের ওপর নির্ভর করে।

বাংলাদেশে বেসরকারি টিভি চ্যানেল প্রতিষ্ঠার অনুমোদনের নীতিমালা প্রণয়ন করা হয় ১৯৯৮ সালে। এরপর বিভিন্ন মেয়াদে সরকারগুলো টিভি লাইসেন্স প্রদান করে। ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে আওয়ামী লীগ সরকার তিনটি চ্যানেলকে অনুমোদন দেয়। পরে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে ১০টি চ্যানেল অনুমোদন পায়।

২০০৯ সালে আবারও আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে ১০টি চ্যানেলকে লাইসেন্স দেয়। ২০১০ সালে আরও দুটি, ২০১১ সালে তিনটি এবং ২০১৩ সালে আরও ১৫টি চ্যানেলকে লাইসেন্স দেওয়া হয়।

সূত্র: প্রথম আলো

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়