শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ২৭ মে, ২০২৬, ০৮:৫৭ রাত
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অল্প পরিশ্রমেই ক্লান্তি হতে পারে হৃদরোগের লক্ষণ

স্বাভাবিকের তুলনায় দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়া বা অল্প কাজেই শ্বাসকষ্ট অনুভব করা কেবল সাধারণ দুর্বলতা বা ঘুমের অভাবের লক্ষণ নাও হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন উপসর্গ অনেক সময় হৃদযন্ত্রের ভেতরের গুরুতর সমস্যার প্রাথমিক সংকেত হিসেবে দেখা দেয়, যা শুরুতে তেমন গুরুত্ব না পেলেও পরে বড় ঝুঁকিতে রূপ নিতে পারে।

কার্ডিওলজিস্টদের ধারণা অনুযায়ী, অল্প পরিশ্রমেই অতিরিক্ত ক্লান্তি অনুভব করা হৃদযন্ত্রের ভালভজনিত সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে। অনেকেই এটিকে সাধারণ স্ট্রেস বা শারীরিক অক্ষমতা ভেবে উপেক্ষা করেন। কিন্তু নিয়মিতভাবে সামান্য হাঁটা, সিঁড়ি ওঠা বা হালকা কাজ করতেই যদি অস্বাভাবিক ক্লান্তি হয় এবং বিশ্রামের পরও তা না কমে, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা জরুরি।

advertisement

হৃদযন্ত্রের ভালভগুলো রক্তপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে একমুখীভাবে কাজ করে। কিন্তু এগুলো যদি ঠিকভাবে না খোলে বা বন্ধ না হয়, তাহলে হৃদযন্ত্রকে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পরিশ্রম করতে হয়। এতে শরীরে পর্যাপ্ত অক্সিজেন পৌঁছাতে বাধা সৃষ্টি হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে এই ধরনের সমস্যাকে অ্যাওর্টিক স্টেনোসিস বা মাইট্রাল রিগারজিটেশন বলা হয়, যার ফলে দ্রুত ক্লান্তি ও দুর্বলতা দেখা দিতে পারে।

সাধারণ ক্লান্তি সাধারণত বিশ্রাম বা ভালো ঘুমের মাধ্যমে কমে যায়, কিন্তু হৃদযন্ত্রজনিত ক্লান্তি অনেক সময় বিশ্রামের পরও থেকে যায় বা শারীরিক পরিশ্রমের পর আরও বেড়ে যেতে পারে। তাই একে সাধারণ অবসাদ ভেবে অবহেলা করা ঠিক নয়।

advertisement

চিকিৎসকদের মতে, অল্প কাজেই শ্বাসকষ্ট, বুক ব্যথা বা চাপ, মাথা ঘোরা, অনিয়মিত হার্টবিট, শরীর ফুলে যাওয়া কিংবা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারণ অনেক সময় হার্ট ভালভের সমস্যা শুরুতে ধরা পড়ে না, ফলে রোগীরা বিষয়টি বুঝতেই পারেন না।

বয়স্ক ব্যক্তি, উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসে আক্রান্তরা, জন্মগত হৃদরোগী এবং সংক্রমণজনিত রোগে ভোগা মানুষদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। তাই শরীরের অস্বাভাবিক ক্লান্তিকে অবহেলা না করে সময়মতো চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

advertisement

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

  • সর্বশেষ