শিরোনাম
◈ দীর্ঘ অপেক্ষার পর হরমুজ প্রণালি পার হলো বাংলাদেশি জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ ◈ চার দিনে ৬ বার কাঁপল দেশ: বড় কোনো দুর্যোগের পূর্বাভাস নাকি শুধুই আতঙ্ক? ◈ পূর্ণাঙ্গ অনুশীলনে ফিরেছেন নেইমার, বৃহষ্প‌তিবার খেল‌বেন স্কটল‌্যা‌ন্ডের বিরু‌দ্ধে! ◈ হান্নান সরকার অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কোচ, মেন্টর রিয়াদ ◈ হালান্ডের জোড়া গোলে সেনেগালকে হারিয়ে নকআউট নিশ্চিত নরওয়ের ◈ এমবাপ্পের জোড়া গোলে ইরাককে হারিয়ে নকআউটে ফ্রান্স ◈ বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে ৩ নতুন বিমানবন্দর নির্মাণ করবে ভারত ◈ ভারতের সতর্কতা, আগামী ২৪-৭২ ঘণ্টায় বন্যার ঝুঁকি তিন বিভাগে ◈ মেসি ম্যাজিকে অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে আর্জেন্টিনা ◈ কিয়ার স্টারমার পদত্যাগের ভাষণে যা বললেন

প্রকাশিত : ২৫ নভেম্বর, ২০২৫, ০৮:৪৭ রাত
আপডেট : ১৫ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভিটামিন ডি-এর উৎস কি শুধুই রোদ? জেনে নিন কোন সময়ে, কীভাবে রোদে থাকলে উপকার মিলবে

রোদে একটু ঘোরাফেরা করলেই তো পারো, ভিটামিন ডি-এর অভাব হবে না; বাড়ির বড়দের কাছে আমরা একথা প্রায়ই শুনে থাকি। আসলেই কি রোদে ভিটামিন ডি থাকে? কিংবা সারাদিনে যে কোনও সময়ে রোদে গেলেই কি মিলবে ভিটামিন ডি। এর উত্তর হলো- না, রোদ মানেই ভিটামিন ডি নয়— তবে রোদ ভিটামিন ডি তৈরির সবচেয়ে ভালো প্রাকৃতিক উৎস বটে।

তাহলে? কোন রোদে ভিটামিন ডি থাকে। আমাদের ত্বক সূর্যের আল্ট্রাভায়োলেট বি (ইউভিবি) রশ্মি পেলে স্বাভাবিকভাবে ভিটামিন ডি তৈরি করতে পারে। কিন্তু সব রোদে ইউভিবি থাকে না। সকাল খুব ভোরের রোদ বা বিকেলের দেরির রোদে ইউভিবি কম থাকে। মেঘলা দিনে, শীতকালে বা দূষণ বেশি হলে ইউভিবি আরও কমে যায়।

আবার রোদে থাকলেই ভিটামিন ডি হবে এমনও নয়। সাধারণভাবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টার মধ্যে প্রতিদিন/সপ্তাহে কয়েকদিন ১০–২০ মিনিট রোদে থাকা ভিটামিন ডি তৈরিতে সাহায্য করে। এসময় মুখ, হাত এবং বাহুর অংশ খোলা থাকলে ভালো। আমাদের জীবন যাপন নানাভাবে ভিটামিন ডি থেকে আমাদের সরিয়ে রাখে। শরীর ঢেকে রাখা কাপড় পরলে, সানস্ক্রিন ব্যবহারে, ঘরের জানালার কাঁচের কারণে, গায়ের রং-এর বিভিন্নতার কারণে (গা শ্যামলা হলে বেশি সময় লাগে) ভিটামিন ডি উৎপাদন কমে যেতে থাকে।

শিশুদের ক্ষেত্রে ভিটামিন ডি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ

গবেষণায় দেখা গেছে ভিটামিন ডি শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশে সাহায্য করে এবং স্নায়ুতান্ত্রিক কার্যক্রমকে সমর্থন করে। ভিটামিন ডি দেহে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস শোষণে সাহায্য করে। এগুলো হাড় শক্ত করা ও দাঁত গঠনের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ভিটামিন ডি-এর অভাব হলে শিশুর হাড় নরম হতে পারে, ফলে রিকেটস নামের রোগ দেখা যায়। ভিটামিন ডি শিশুদের ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। ফলে সংক্রমণ, সর্দি–কাশি বা শ্বাসতন্ত্রের অসুখের ঝুঁকি কমে। পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি না থাকলে শিশুর দুর্বলতা, হাঁটতে দেরি হওয়া বা মোটর ডেভেলপমেন্টে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়